,

থেমে নেই ইয়াবা পাচার- টেকনাফে গেল আগস্ট মাসে সাড়ে ২৯ কোটি টাকার ইয়াবা ও চোরাইপণ্য উদ্ধার : আটক- ২২

আমান উল্লাহ কবির :

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করেছে। কিন্তু এখনো দেদারসে টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মাদক ইয়াবা প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন সময় মাদক কারবারি ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে মাদকের চালান আটক করতে গিয়ে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাও ঘটছে। তবুও থেমে নেই মাদক ইয়াবা পাচার। সরকারের ঘোষণা বাস্তবায়ন করতে এবং মাদকমুক্ত টেকনাফ গড়ে তুলতে সীমান্ত রক্ষী বিজিবি জওয়ানেরা সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কিন্তু এক শ্রেনীর অসাধু চোরাকারবারি বিজিবি জওয়ানদের ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী সাঁতরিয়ে এবং বিভিন্ন কলা কৌশলে মাদক পাচার করে যাচ্ছে।
এসময় টেকনাফ সীমান্তে গেল আগস্ট মাসে সাড়ে ২৯ কোটি টাকার চোরাইপণ্য ও মাদক উদ্ধার করেছে এবং ২২জন মাদক কারবারীকে আটক করা হয়েছে।
টেকনাফ ২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা অভিযান চালিয়ে বিপূল পরিমাণ ইয়াবা, ফেন্সিডেলসহ এসব চোরাইপণ্য আটক করতে সক্ষম হন।
বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২০ সালের ১লা আগস্ট হতে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিওপি, চেকপোস্ট, আউটপোস্ট ও ব্যাটালিয়ন সদর টহল দলের সদস্যরা নিজস্ব গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৩টি মামলায় ৯ লাখ ৬৩ হাজার ২শ ৭৯ পিস ইয়াবা জব্দ করে। এরমধ্যে ১লাখ ৭৯ হাজার ২শ ৩৯ পিসসহ ১৮ জনকে আটক এবং অবশিষ্ট ৭লাখ ৮৪ হাজার ৪০পিস পরিত্যক্ত অবস্থায় মালিকবিহীন উদ্ধার করে।
অপরদিকে ১টি মামলায় ১’শ ২৪ বোতল ফেন্সিডেলসহ ১ পাচারকারীকে আটক করা হয়। এছাড়া অন্যান্য চোরাইপণ্যের ৬টি মামলায় ৩জনকে আটক করা হয়। তবে এই মাসে আগ্নেয়াস্ত্র জাতীয় কিছুই আটক করা হয়নি।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) গত আগস্ট মাসের এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সরকারের ঘোষণা বাস্তবায়ন করে মাদকমুক্ত টেকনাফ গড়ে তুলতে সীমান্ত রক্ষী বিজিবি জওয়ানেরা সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*