,

“মা” সৃষ্টিকর্তার মহান দান

“মা” সৃষ্টিকর্তার মহান দান

মোঃ আদিল মাহমুদ

জননী তোমায় আমি স্মরণ করি, এ নিশীথ রাতে।

আমি একা একা শুয়ে আছি, আমার অন্ধকার ঘরে,

আজ আমি সত্যি নিঃস্ব মা, কেউ নেই যে তোমার পরে,

ঘরে না আসলে, না খেলে ভাত, কতো বকাই না দিতে!

আজ তুমি চলে গেলে, আমায় কোন ধমক না দিয়ে।

তুমি ছিলে আমার পরাণ, ভুলিতে পারি না তোমাকে!

তোমার দেয়া বাল্য শিক্ষা যে, আজও আমার মস্তকে,

রাগ করে না খেলে, তুমি আদর করে দিতে খাইয়ে।

মনে পড়ে জ্বর এসেছে বলে, ঘুমাও নি সারা রাত।

আজ একলা বসে থেকে, নিত্য পোহাচ্ছি মনের জ্বালা,

জীবনে যা পেয়েছি, সবই তোমার হৃদয়ের মালা,

শিক্ষা-দীক্ষা,ভালবাসা যা কিছু, সব তোমার বায়াত।

বেঁচে থাকতে বুঝি নি,তুমি কতো বড় রত্ন ভান্ডার!

তোমার শুন্যতা বহে চলে, আমার বুকে পারাবার,

ছিলাম অবাধ্য ছেলে, দেই নি তোমার মুখে খাবার,

আজ আমি জনকে বুঝাচ্ছি, আমার গুনের বাহার!

ছেলে পাপিষ্ঠ মাতা, তোমার সম্পৎ দিয়ে করি বড়াই।

মা’র জন্য কিছু না করে, অন্ধ হয়ে বাজাই সানাই,

ভাবি না মাম্মি, সারিয়েছিলে আমার কষ্টের বালাই,

বিপদ আসলে আসতাম কাছে, আজ ক্ষণে পালাই।

তুমি মমতাময়ী, কর্ম গুনে আজ স্বর্গে আছ বসে।

আমায় কোথা ছেড়ে গেলে জন্মদাত্রী, যাচ্ছি নিত্য ভেসে!

তুমিতো দাও নি অভিশাপ, কিন্তু দু’কাঁধে ছিলো ঘেঁসে,

আমার অপরাধ ফুঁটে রয়েছে, শিশির ভেজা ঘাঁসে।

ক্ষমা করো আম্মা এ ছেলেকে ছিলাম যে খুব খারাপ।

তাইতো আজ আমার সারা শরীরে পূর্ণ মাত্রা পাপ!

বাঁচার নেই ওপায় মা, যদি না করো পুত্রকে ক্ষমা,

কতো কুকর্ম করেছি জানিনা, আমি আজ রমরমা!

  (১৯ বর্ণ)

 লেখক-:

ইন্সপেক্টর (তদন্ত)

পরশুরাম মডেল থানা,  ফেনী জেলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*