,

টেকনাফে ১২ ইয়াবা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা

বিশেষ প্রতিবেদক:
টেকনাফে ১২ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে নির্যাতিত পরিবার।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ হাসান মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নং- ৩৬/২০২০ইং। এজাহার নামীয় আসামীরা হচ্ছেন- ঢাকা ধানমন্ডির আবু মোহাম্মদ মুসার ছেলে আক্তার মোহাম্মদ মুসা (৪৫), নুর মোহাম্মদের ছেলে মোঃ ইসমাইল (৪০), মোঃ হারুন (৩৫), আমান উল্লাহর পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (২২), মোঃ রাসেল (১৮), মোঃ রুবেল (৪০), মফজল আহমদের পুত্র মোঃ হোছন (৩০), আবদুল আজিজের ছেলে ওমর (৩৬), সর্বসাং হাবিবছড়া। মৃত নুর হোছনের পুত্র জাকের হোসেন রাজারছড়া, নতুন পল্লান পাড়ার মোঃ হাসানের পুত্র আলমগীর (২৮), বাহারছড়ার কচ্ছপিয়ার ফজল আহমদের ছেলে মোঃ আমিন (৪৩), জাফর আলম (৩৫)। মামলার ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৮/৩২৩/৩০৭/৫৪/৩৭৯/২৭/৫০৬ দন্ডবিধি। ৫ জুলাই বিকালে মামলার বাদী মোঃ হাছান জানান, রাজারছড়া সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় সংঘবদ্ধ মাদক কারবারীরা মাদকের বদৌলতে অর্জিত কালোটাকার পেশিশক্তির বলে জায়গা জমি জবরদখল, শিক্ষার্থীদের গুম এবং প্রাণনাশের হুমকিতে তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন । তাদের কাছে স্থানীয় মৃত মকতুল হোছনের ছেলে মো: হাসানসহ তার পুরো পরিবার জিম্মি। হাসান পৈত্রিক থেকে পাওয়া কয়েক কোটি টাকার মূল্যের জায়গার মালিক এবং তার ছেলে মেয়ে শিক্ষামুখী। যখন তার ছেলে মেয়েরা উচ্চ শিক্ষার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
এটি মাদক কারবারীদের জন্য ভবিষ্যতে কাল হয়ে দাড়াচ্ছে। এটি সহ্য করতে না পেরে মাদককারকারীরা তার জায়গা জমির উপর ওদের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। উক্ত মূল্যবান জমি দখলের উদ্দেশ্যে ওরা ফাঁদ বসায় এবং একের পর এক ঘটনা ঘটতে থাকে। এমনকি স্কুল পড়ুয়া ১০ ম শ্রেণীর ছাত্রী আজিজা, ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রোকেয়া ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর তৌদিদুন্নেছা স্কুল ছুটির পর বাড়ী ফেরাকালে গকত ১১ ফেব্রুয়ারী মাদককারবারীদের হাতে প্রহৃত হয়।
এছাড়া ওরা বাড়ীতে অনাধিকার প্রবেশ করে স্ত্রীসহ ছেলে মেয়েরা ওদের হাতে আক্রান্ত হয়। গৃহকর্তা হাসান এবং তার পুরো পরিবার মাদক কারবারের রোষানলে পড়েছে। এলাকা ত্যাগ করতে বারংবার হুমকার দিচ্ছে। এমনকি বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর পর্যন্ত করছে। এরপরেও ওদের অপর্কম থাকেনি। বরং এইমাত্রা দিন দিন বাড়ছে।
এব্যাপারে মোঃ হাসান চলতি বছর ১৩ ফেব্রুয়ারী টেকনাফ মডেল থানায় নিজেই বাদী হয়ে আকতার মোহাম্মদ মুসাকে ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করে এবং উক্ত মামলার বিবরণীতে ওদেরকে মাদককারবারী উল্লেখ কার হয়েছে।
এদিকে দায়েরকৃত মামলাটি প্রত্যাহার করতে হাসান পরিবারে উপর চলছে প্রাণনাশের হুমকি ও ধমকি।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বিষয়টি আমলে আনার পর তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*