,

২০ মে থেকে পরবর্তী ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধ

আগামী ২০ মে থেকে পরবর্তী ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জলসীমায় সব ধরনের নৌযান দিয়ে মাছ ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটল ফিশ প্রভৃতি) ধরতে নিষেধ করা হয়েছে। এরইমধ্যে জননিরাপত্তা বিভাগের মাধ্যমে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উপকূলীয় জেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের এই নির্দেশ বাস্তবায়নে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এসব কথা জানান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের প্রতিনিধি, নৌ-পুলিশের ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন। রবিবার (১৭ মে) মৎস্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, দেশের অর্থনীতির জন্য, মানুষের পুষ্টি বৃদ্ধির জন্য এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করতে না পারলে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সংকট থেকে যেতে পারে। সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালীন মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের আমরা মাসিক ৪০ কেজি হারে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি। মৎস্যজীবীদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি খাতের অনেক উন্নতি ঘটেছে। খাদ্য সহায়তায় পরিবহন খরচ ছিল না। এখন পরিবহন খরচ সরকারের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে পৌঁছানো হবে।

মন্ত্রী বলেন, মাছকে বেড়ে উঠতে দেওয়া এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ করতে না দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও পরিষ্কারভাবে বলবো, আপনারা কঠোর অবস্থান নেবেন। কাউকে আইনের বাইরে কোনও কিছু করতে দেবেন না। সেক্ষেত্রে যেকোনও চাপ আমরা মোকাবিলা করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*