,

সৌদি প্রবাসীর বিরুদ্ধে ফেইসবুকে “দালালের ফাঁদে পড়েন না ভাই” শিরোনামে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ

ফেইসবুকে “দালালের ফাঁদে পড়েন না ভাই” শিরোনামে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ

গত ২৯ ফেব্রুয়ারী Md Jolfiqar নামে বিদেশ ফেরত এক ব্যক্তি তার নিজস্ব ফেইসবুক আইডি থেকে “দালালের ফাঁদে পড়েন না ভাই” শিরোনামে সংবাদ সংশ্লিষ্ট স্ট্যাটাসটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই স্ট্যাটাসটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক। সে স্ট্যটাসে দাবী করেছে- তাকে বিভিন্ন প্রলোভনে ফেলে আমরা ভিসা দিয়ে সৌদি আরবে এনেছি এবং কাজ ও ভাল চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়েছি। অথচ আমরা তাকে বিদেশে আসার বিষয়ে কোন প্রকার উৎসাহ বা প্রলোভন দেখাইনি। বরং আমরা সৌদি আরবে এসেছি আমাদের পরিবারের ভাগ্য ফেরাতে এবং নিজেই অন্যের চাকুরী করি। আমরা যেখানে অন্যের নির্ভর হয়ে চাকুরী করি, সেখানে তাকে ভিসা দিয়ে আনার কথা ও না। গেল বছর ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে আসলেও দূর্ভাগ্য বসত সৌদি সরকারের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে আটক হয়ে তাকে স্ব-দেশে ফেরত পাঠালে, অসৎ উদ্দেশ্যে দালালের ফাঁদে পড়ে প্রতারনার শিকার হয়েছে মর্মে প্রচার করছে বলে আমরা ধারনা করছি।

প্রকাশিত ফেইসবুকে স্ট্যটাসের ভিত্তিতে আমরা প্রতিবাদকারী হিসাবে ব্যখ্যা হচ্ছে, কক্সবাজার পৌরসভার  ২ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন নতুন ফিশারী ঘাট ৬ নং রোডের মমতাজের ছেলে মো. জুলফিকার এর নানার বাড়ী ও আমাদের বাড়ী একই এলাকায় অবিস্থিত, তার নানা, মামা সকলেই আমাদের প্রতিবেশী সে হিসাবে জুলফিকার পূর্ব পরিচিত। জুলফিকার গেল বছর ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে চলে আসেন এবং যথানিয়মের কপিল হতে একামা সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু তিনি কপিলের অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে নিয়ম ভঙ্গ করে কপিলের নিকট হতে পালিয়ে অন্যত্রে চাকুরী করতে থাকে।

পরবর্তীতে তার কোন হদিস পাওয়া না গেলেও সৌদি সরকারের অবৈধভাবে বসবাসকারীদের ধরপাকড় অভিযানে আটক হয়ে তাকে সৌদি সরকার দেশে ফেরত পাঠিয়েছে বলে জানতে পারি। হঠাৎ বিভিন্ন মাধ্যমে সে সফ Md Jolfiqar নামে তার নিজস্ব ফেইসবুক আইডিতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার নামক উদূরপিন্ডি বুদুরগাড়ে চাপাচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে আমরা হতবাক হয়েছি। আমরা সৌদি আরবে আছি দীর্ঘবছর ধরে। কখনো কাওকে কষ্ট দিয়েছি এমন নজির নেই। তাছাড়া আমরা কোন ব্যক্তিকে সৌদিতে ভিসা ও কাজ দেব বলে নিয়ে আসিনি। জুলফিকার যখন সৌদিতে আসে তখন পুর্ব পরিচিত হিসাবে আমাদের সাথে যোগাযোগ হয় এবং মাঝে মধ্যে আমাদের বাসায় আসা যাওয়া করত। এসে কপিলের কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না এবং বহু টাকা খরছ করে ভিসা নিয়ে সৌদিতে এসেছে দেশে ফেরত গিয়ে ও কি করবে ইত্যাদি ইক্যাদি তার বিভিন্ন দুঃখের কথা শেয়ার করত। আমরা তাকে সু-পরামর্শ দিয়ে বিদায় দিতাম। আমাদের বাসায় আসা যাওয়া এবং বিপদে আশ্রয় দেওয়া মানে কি তাকে সৌদিতে নিয়ে আসার দালালী করা?। এটাই সচেতন মহলের কাছে আমাদের প্রশ্ন ! তাই আমরা উক্ত স্ট্যাটাসে প্রশাসনসহ এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ কারী

সৌদি আরবস্থ জিদ্দা প্রবাসী

আলমগীর,

নুরুল আলম

পিতা- মকবুল আহমদ

সাবরাং, টেকনাফ, কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*