,

আবারও আনোয়ারায় বিয়েতে খাবার নিয়ে মারামারি, বিয়ে ভঙ্গ

 

মোহাম্মদ মনির,কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা  ::

আবারও চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠানেই বর-কনে পক্ষের মধ্যে তুলকালাম কান্ড ঘটেছে এবং বিয়ে ভঙ্গ হয়ে গেছে। এ সময় উত্তেজিত লোকজন কমিউটি সেন্টারে চেয়ার এবং স্টেজ ভাঙচুর করে। শনিবার(১৫ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টার দিকে সরকার হাট সংলগ্ন আনোয়ারা উপজেলার বুরুমচড়া আল আমিন কমিউনিটি সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বাঁশখালী বৈলগাঁও বানীগ্রামের হারুনের বাড়ির আব্দুল মুতালফের ২য় কন্যা শাবনুর আক্তার(১৯)
এর সাথে আনোয়ারা উপজেলার মহতর পাড়া গ্রামের শরীফ মেম্বারের বাড়ির বরিউল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ রুবেল(২৬) এর সাথে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। সুষ্ট শান্ত পরিবেশে বিয়ের কার্যক্রম চলছিল, বর পক্ষের দাওয়াতী মেহমান আসার কথা ছিল ৩০০জন,কিন্তু তারা অতিরিক্ত মানুষ আসার কারণে খাবারের সংকট পড়েছিল। তারপরেও কণে পক্ষ তাদের আশ্বাস দিয়েছিল খাবারের ব্যবস্থা হবে একটু অপেক্ষা করুন।কিন্তু বরের ভাই সোহেল আপত্তি তোলেন। শুরু হয় তর্কতর্কি। এরপর এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয় বর ও কনেপক্ষের। চলে তুমুল মারামারি। চেয়ার, টেবিল, থালা, গ্লাস, প্লেট পরস্পরকে ছুঁড়ে মারতে থাকে। মারামারির মাঝে পড়ে আহত হয় অনেকে।

কণের মামা গুরু মিয়া বলেন, ‘আমি ভাগ্নিকে বিয়ে দিতে গিয়েছি,মারামারি করতে নয়। বিয়ের আসরে অনেক কিছু নিয়ে তর্ক হতে পারে। সে জন্য কি বিয়েতে মারামারি করতে হবে? আমি নিজে তাদের লোকজনের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। কিন্তু বরের ভাই,বাবা ও গ্রামের লোকজন উল্টো আমাদের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেছে। আমাদের লোকজনকে আটকে মারধর করেছে। পুলিশ গিয়ে আমাদের মুক্ত করেছে।

এদিকে বর পক্ষের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে তাদের কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

ইতি পূর্বে ও আনোয়ারাতে এমন কয়েকটি ঘটনায় বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনা রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আনোয়ারা থানার এসআই শামসুল জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনি । ছোটকাঠো বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমস্যা বড় আকার ধারণ করেছে এবং মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি শান্ত করে দুই পক্ষকে ১৮তারিখ থানায় যেতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*