,

টেকনাফ পৌরসভার দুঃখ দূর্দশা দেখবে কে?

সামশু উদ্দিন, টেকনাফ ॥

টেকনাফ পৌরসভার ক্ষতবিক্ষত প্রায় ৩ কি: মি: সড়কের অংশ পৌরবাসীর দু:খ হিসাবে দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি নালা-নর্দমাগুলো নোংরা আবর্জনার পঁচা গন্ধ ও মশার বংশ বিস্তার বেড়েছে।
ফলে জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সরেজমিন ও পৌরবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, টেকনাফ পৌর এলাকার ১ নং ওয়ার্ডের নাইট্যং পাড়া হতে দীর্ঘ তিন কিলোমিটার সড়ক ক্ষত বিক্ষত ও ভংগুর অবস্থায় পরিণত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে পৌরসভার বাস টার্মিনাল হতে কুলাল পাড়া জীপ স্টেশন পর্যন্ত সড়কটি ক্ষতবিক্ষত ও ভংগুর থাকায় এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারীদের দুর্ভোগের সীমা নেই। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও সংস্কারের উদ্যোগ নেই।
তবে পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে পৌরসভার ভেতরে হলেও সড়কটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের হওয়ায় তারা কিছুই করতে পারছেন না। ইতিমধ্যে সদকের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই কাজ শুরু হবে।
কিন্তু পৌরবাসী বলছেন ভিন্ন কথা। যদি সড়কটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের হয়ে থাকে, তাহলে বিভিন্ন যান বাহন থেকে পৌরসভার নামে রশিদ মুলে টোল আদায় করা হয় কেন? প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা টোল আদায় হলেও সংস্কার নেই সড়কের। ফলে খানাখন্দক সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাধারন মানুষের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানের পর্যটক, স্কুল শিক্ষার্থী, চাকুরীজিবী, আইনশৃংখলা বাহিনীসহ যাতায়ত করছে। বিশেষ করে রোগী, গর্ভবর্তী মহিলাদের দূর্দশা খুবই দূর্বিসহ ও করুন হয়ে উঠে এই সড়ক দিয়ে যাতায়তকালে।
আবার সড়কের ভাঙ্গাচোরা অবস্থার কারণে যানজট নিত্য নৈমত্যিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় দেখছে না কেউ।
অপরদিকে, পৌরসভার নালাগুলো আবর্জনায় ভরে উঠেছে। ফলে পরিবেশে ক্ষতির পাশাপাশি দূর্গন্ধে পথচারীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয়। পাশাপাশি ওই নালাগুলো মশা-মাছির প্রজনন কেন্দ্র পরিণত হয়েছে।
এব্যাপারে টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম জানান, শুধু টেকনাফ পৌরসভা নই, গোটা কক্সবাজার সড়কের বেহাল দশা রয়েছে। ওই সড়ক নির্মানের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*