,

টেকনাফে রোহিঙ্গার রক্তাক্ত  লাশ উদ্ধার  

আমান উল্লাহ কবির :

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত হাসান আলী ওরফে কমিটি হাসান নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২২ নভেম্বর শুক্রবার রাত পৌনে ৮টারদিকে টেকনাফ স্থলবন্দরের উত্তরের প্রধান সড়কের পাহাড়ের পাদদেশ থেকে তাার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের সি-ব্লকের মোঃ সালামের পুত্র হাসান আলী (৩৮) প্রকাশ কমিটি হাসান।

জানা যায়, টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের ১৪ নং ব্রিজ সংলগ্ল সড়কের পাশে জঙ্গলে রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরে টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) এসএমএস দোহার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমে প্রেরণের জন্য নিয়ে আসে।

এই বিষয়ে ওসি (তদন্ত) এসএমএস দোহা সংবাদ কর্মীদের জানান, দূবৃর্ত্ত হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য বের করার চেষ্টা চলছে এবং মৃতদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে নিহত হাসান নয়াপাড়া ক্যাম্পে মোবাইলের দোকানের ব্যবসা করে এবং পাহাড়ী ডাকাত দলের হামলার ভয়ে সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে টেকনাফে ভাড়া বাসায় চলে যায়।  প্রতিদিনের মতো আজকেও যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

অপরদিকে নিহত হাসান ক্যাম্পের পশ্চিম পাহাড়ে অবস্থানকারী স্বশস্ত্র ডাকাত, রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠন, অপহরণকারী ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্র এবং মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের নিকট পুলিশ-র‌্যাবের সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই হাসান। সম্প্রতি ক্যাম্পে অপরাধ প্রবণতা কমাতে আইন-শৃংখলা বাহিনীর যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত হাসানকে সোর্স হিসেবে চিহ্নিত করে। তাকে যেকোন বিনিময়ে প্রাণনাশের জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিল সংঘবদ্ধ চক্রটি। তারাই মোটাংকের বিনিময়ে অথবা নিজেরাই সোর্স হাসানকে খুন করে পথের কাঁটা দূর করে দিয়েছে বলে লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*