,

টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও টেকনাফের ক্লীন ইমেজ খ্যাত নেতা মোঃ আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদখানা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

“টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ, দুর্বল হয়ে পড়ছে সংগঠন” এই শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদখানা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদে উল্ল্যেখ করা হয়েছে যে, নিষিদ্ধ মাদকের সাথে আবদুল্লাহ সম্পর্ক রয়েছে। অথচ সরকারের মাদক বিরুধী অভিযান ও মাদকের তালিকায় রাষ্ট্রের কোনো গোয়েন্দা সংস্থা আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মাদকের সংশ্লিষ্টা পাইনি। যা টেকনাফসহ সমগ্র কক্সবাজারবাসী অবগত।
এছাড়া সংবাদে আরো উল্ল্যেখ করা হয়েছে যে আবদুল্লাহর দ্বারা নাকি টেকনাফের বিএনপির সাংঘটনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে এবং তিনি নাকি পাল্টা কমিটি দেন। সর্বশেষ বাহারছড়া ইউনিয়ন উত্তর শাখার বিএনপির কমিটি নিয়েও আবদুল্লাহকে জড়িত করেছে। লাইনগুলো পড়ে বড্ড হাসি পাচ্ছে, এধরনের একটি ভিক্তিহীন কথা কিভাবে বলতে পারে।
বাহারছড়া ইউনিয়ন আহবায়ক কমিটি নিয়ে বাহারছড়া বিএনপি টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর আলমের সাথে দেখা করতে যায়। সেখানে আমরা যারা কমিটির বিভিন্ন পদের প্রার্থী ছিলাম তারা উপস্থিত ছিলাম। পরে সভাপতি জাফর আলম আমাদের আশ্বস্ত করেন যে, বৈঠকের মাধ্যমে বাহারছড়ার কমিটি ঘোষণা করা হবে। তার মধ্যে আমরা চলে আসলে গোপনে জাফর আলম সম্পুর্ণ একচেটিয়া ভাবে এক পক্ষের কমিটি ঘোষণা করে। পরে আমরা সংবাদ মাধ্যমে তা জানতে পেরে তা জীজ্ঞেস করলে তিনি এই ব্যাপারে আমাদের কোনো কথা না বলার জন্য বলেন। এটা হয়েছে মুলত অতীতের ন্যায় আমি টাকা দিতে পারি নাই বলে। অথচ আমি বিএনপির জন্য বাহারছড়াতে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। ৯৬ সাল থেকে ২০০৭ পর্যন্ত বাহারছড়া ইউনিয়ন পুরো যুবদলের সভাপতি ছিলাম, ১৩ সালে পুরো ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হয়ে পরে সভাপতি নির্বাচিত হই। আবার ১৬ সালের কমিটিতে বাহারছড়ার উত্তর শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়।

অথচ আমরা তৃণমুলের সবাই জানি আবদুল্লাহ একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবীদ। তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী লোক। তাকে ছাড়া বলতে গেলে টেকনাফের রাজনীতি অচল। তার প্রভাব বিপত্তিতে টেকনাফের বিএনপি টিকে আছে। আর বিএনপির উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্ত করুক বাহারছড়াতে কোন কমিটির জনপ্রিয়তা বেশি। তৃণমুলে কোন কমিটির গ্রহন যোগ্যতা বেশি। অন্যদিকে সেটা আবদুল্লাহর ব্যাপারেও তদন্ত হোক। ইনশাল্লাহ সব কিছু মিলে উঠে আসবে তিনি একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবীদ। আবদুল্লাহর উপর ভর করে টেকনাফের সব দলীয় কর্মসূচী পালিত হয়। যা বিএনপির সবাই জানে। তবে যড়যন্ত্রকারীরা তার বিরুদ্ধে অপ্রচারে নেমেছে। এবং মিডিয়াকে ব্যবহার করে তার মানহানী করার চেষ্টা করতেছে কুচক্রী মহল। তাই সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ তার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক সংবাদ প্রকাশ করতে। পরিশেষে আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী-
আবদুল কাইয়ুম সওদাগর
আহবায়ক, বাহারছড়া ইউনিয়ন উত্তর শাখা।

মতামত...