,

এবার ইরাকের তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করল ইরান

ডেস্ক নিউজ ::

উত্তেজনাপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে এবার ইরাকের তেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে ইরান। আরব রাষ্ট্রগুলোর জন্য তেল পাচার করছিল ট্যাঙ্কারটি- এমন অভিযোগে তা জব্দ করে ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ডস। এ নিয়ে গত তিন সপ্তাহে তারা একই এলাকা থেকে তিনটি জাহাজ বা ট্যাঙ্কার জব্দ করলো। অভিযোগ করা হয়েছে, আরব রাষ্ট্রগুলোর জন্য ৭ লাখ লিটার তেল পাচার করছিল ইরাকের ওই ট্যাঙ্কারটি। এ জন্য বুধবার ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ডস তাতে আরোহন করে ওই ট্যাঙ্কারের সাত ক্রুকে আটক করেছে। এ ঘটনা ঘটেছে ফারসি আইল্যান্ডের কাছে। এরপর ট্যাঙ্কারটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ইরানের বুশেহরে। সেখানে তা থেকে ‘আনলোড’ করা হয়েছে তেল।

ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ডস কমান্ডার রামেজান জিরাহি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, তার গার্ডের নৌ সেনারা পারস্য উপসাগরে তেলবাহী একটি বিদেশী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে। এ সময়ে তা কিছু আরব দেশে তেল পাচার করছিল। এতে ছিল ৭ লাখ লিটার তেল। এতে থাকা সাতজন ক্রুকেও আটক করা হয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, ইরানের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ট্যাঙ্কটি আটক করা হয়েছে। তেল পাচার সহ বিভিন্ন বিষয়ে ওই এলাকায় প্রহরা দিচ্ছিল ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ডের নৌবাহিনী। 

মাত্র কয়েকদিন আগে বৃটিশ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার স্টেনা ইমপেরো আটক করে ইরান। তাদের অভিযোগ, হরমুজ প্রণালীতে তারা নৌসীমা লঙ্ঘন করেছিল। এ ঘটনা উপসাগরে বৃটেনের নৌবাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এর আগে জিব্রাল্টারের কাছে তেলবাহী ইরানের একটি ট্যাঙ্কার আটক করেছে বৃটেন। মনে করা হচ্ছে, তার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ নিয়ে তেহরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা আরো একধাপ বৃদ্ধি পায়। 

স্টেনা ইমপেরো জব্দ করার একদিন আগে ১৮ই জুলাই রেভ্যুলুশনারি গার্ডস ঘোষণা দেয়, তেল পাচারের জন্য তারা পানামার পতাকাবাহী এমটি রিয়া নামের একটি ট্যাঙ্গার জব্দ করেছে।

মতামত...