,

টেকনাফেে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত

আমান উল্লাহ কবির ::

টেকনাফ থানা পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে অস্ত্র, ইয়াবা ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৩জন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছে।

জানা যায়, ১১জুলাই রাতের প্রথম প্রহরে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ টেকনাফ পৌর এলাকার নতুন পল্লান পাড়ার মৃত মকবুল আহমদের পুত্র একাধিক অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামী আব্দুল মালেক (৩৮)কে নিয়ে লেঙ্গুরবিল মালির মাঠ ছড়া পাহাড়ে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায়। তখন তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে পুলিশের এএসআই রামধন (৩৯), কনষ্টবল রাজু মজুমদার (২৭) ও আব্দুস শুকুর (২২) আহত হয়। তখন পুলিশও সরকারী সম্পদ এবং আত্মরক্ষার্থে পাল্টা ৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করার পর হামলাকারী দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ২টি এলজি, ১৩ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ২১রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ ১জনকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ আব্দুল মালেককে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। কক্সবাজার নেওয়ার পর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। তার মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ উপরোক্ত সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,তদন্ত স্বাপেক্ষে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার অভিযানকালে পুলিশের উপর হামলা এবং সরকারী কাজে বাঁধা প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

নিহত ব্যক্তি গত ১০ জুলাই রাত সাড়ে ৯টারদিকে টেকনাফ বাস টার্মিনাল এলাকা হতে আটক করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এদিকে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,নিহত ব্যক্তি পেশায় রাজমিস্ত্রী হলেও মাদক ব্যবসা করেই বেশ কয়েকটি যানবাহন, পোল্ট্রি ফার্মের মালিক। তার সংসারে পৃথক ৩জন স্ত্রী রয়েছে। ১জন টিন শেডে, অপর ২জন দালান বাড়িতে বসবাস করছে বলে জানা গেছে।

মতামত...