,

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে জনদূর্ভোগ চরমে

জাহেদুল ইসলাম, লোহাগড়া:

দেশে কয়েকদিনের টানার ভারি ভর্ষণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া অংশে ছোট-বড় অইেশ গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে জনদূর্ভোগ চরম আকারে ধারণ করেছে। ঝঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের একমাত্র ব্যস্ততম সড়ক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহসড়ক ও পর্যটন নগরী কক্সবাজার যাওয়ার একমাত্র সড়ক যোগাযোগ মাধ্যম। বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়ায় আশ্রিত রোহিঙ্গা শিবিরে প্রতিনিয়িত দেশের ও দেশের বাইরের উচ্চ পর্যায়ের লোকজন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করছে। তারাও দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া অংশে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গাড়ির চাকার কাঁদাযুক্ত পানির ছিঁটকায় সড়কের পাশ দিয়ে চলাচলরত পথচারীদের কাপড়-ছোপড় নষ্ট হচ্ছে। বিকল হচ্ছে অনেক যানবাহন।

স্থানীয়রা বলছেন, সরকার বাহাদুর মহাসড়কে দূর্ভোগ কমানোর জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধ দিচ্ছে। আর ঠিকাদাররা তাদের পকেট ভানি করার জন্য নিন্মমানের বিটুমিন দিয়ে মহাসড়কে সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে মহাসড়কে এতগুলো গর্ত কেন হয় তা খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবানও জানান তারা। সরকারের এতোযে পরিমাণ টাকা ব্যয় হচ্ছে তা জনগণ ভোগ করছে কিনা কর্তৃপক্ষের জানা দরকার।

বাস চালক আনোয়ার বলছেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। বাস নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে লোহাগাড়া সীমান্ত পার হলেই যাত্রীদের নানান কথা শুনতে হয়। যতদ্রুত সম্ভব মহাসড়কের দূর্ভোগ কমানোর জন্য গর্তগুলো ভরাট করে দিয়ে বৃষ্টি কমলে সংস্কার করতে হবে।

নিরাপদ সড়ক চাই লোহাগাড়ার আহবায়ক মো: মোজাহিদ হোসেন বলেন, ঠিকাদারের গাফলতিতে মহাসড়কে গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি দ্রুত সময়ে মড়কসংস্কারের দাবী জানান।

দোহাজারী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এর নির্বাহী পরিচালক জাহেদ হোসেন বলেন, মহাসড়কে গর্ত হয়েছে সে ব্যাপারে অবগত। বৃষ্টি থামলে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

মতামত...