,

টেকনাফে পাহাড়ে ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং

নিজস্ব সংবাদদাতা ::

টেকনাফ উপজেলায় বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারীদেরকে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করেছে উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ। রোববার সকাল থেকে টেকনাফ সদর, পৌরসভা, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রবিউল হাসান বলেন, ‘এখন বর্ষাকাল তার উপর টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই পুরো উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী লোকজনকে সরে যেতে মাইকিং করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। না সরলে আমরা নিজেরা গিয়ে তাদেরকে উচ্ছেদ করবো।’
বনবিভাগ সূত্রে জানায়, কক্সবাজার দক্ষিন বনবিভাগের আওতাধীন টেকনাফ উপজেলায় ৩৯ হাজার হেক্টর বনভূমিতে অবৈধভাবে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করে আসলেও তার মধ্যে পাহাড়ের ঝুকিপূর্ণ পাদদেশে বসবাস করছে ২৫ হাজারের মতো মানুষ। এলাকাগুলো হলো-পৌরসভার উপজেলা পাহাড়, ফকিরামোরা, নাইট্যংপাড়া, ধুমপেরাংঘোনা, বৈদ্যরঘোনা, নাজিরঘোনা, সদরের গিলাতলি, শিয়াইল্যারঘোনা, উরুমেরছড়া, কেরুনতলি, বরইতলি, হ্নীলার রোজারঘোনা, জাদিমরা, উলুচামারী, লেচুয়াপ্রাং, হোয়াইক্যংয়ের সাতঘরিয়াপাড়া, কম্বনিয়াপাড়া, মরিচ্ছ্যাঘোনা, আমতলি, লাতুরিখোলা, হরিখোলা, দৈংঘ্যাকাটা, বাহারছড়ার নোয়াখালী, হাজমপাড়া, বাইন্ন্যাপাড়া ও আছারবনিয়া এলাকার ২৫টি পাহাড়কে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পাহাড়ের পাদদেশে স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা পলিথিন ও বাঁশের ঝুপঁড়ি ঘর, মাটিঘর, সেমিপাকা ঘর তৈরি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে।
টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ হোসেন জানান, টেকনাফ রেঞ্জের ১০৫টি সহ পুরো উপজেলায় পাহাড়ের মধ্যে ২৫টি পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় চারশতাধিক পরিবার অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে। সাগরে নি¤œচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধ্বসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার গুলোকে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।

মতামত...