,

অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিরোধে এবার চাকু উদ্ধার অভিযানে টেকনাফের ওসি


মুহাম্মদ জুবাইর,টেকনাফ:
টেকনাফের গ্রামাঞ্চলে ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমুহে চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরাধ কর্মকান্ডে একে অপরকে গায়েল করতে ব্যবহার হয় এক শ্রেণীর ছোরা বা চাকু। বহনে সহজ হওয়ায় নিজ শরীরে গোপন রেখে চলাচল করে অপরাধকারী ও বখাটেরা।
জানা যায়,স্থানীয় বখাটে ও ছিনতাইকারী চক্রের পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অপরাধীরা বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে এসব ধারালো ছাকু সংগ্রহ করে নানা অপরাধ করে আসছে। যার ফলে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়। এই জাতীয় চাকু দিয়ে গত ২১জুন হ্নীলা পশ্চিম পানখালীর ইদ্রিসের পুত্র দুই সন্তানের জনক মোঃ ইসমাঈল (২৫) কে প্রকাশ্যে গলায় ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে। এমতাবস্থায় আইন-শৃংখলা বাহিনী এসব অপরাধ দমনে সবাইকে সর্তক করার লক্ষ্যে এই ছোরা বা ছাকু উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। যে অভিযান সর্বস্থরের জনসাধারণের নিকট প্রশংসিত হয়েছে।
এসব অপরাধ দমনের লক্ষ্যে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ টেকনাফ পৌরশহরের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে কয়েকশতাধিক দেশী-বিদেশী ছোরা বা চাকু উদ্ধার করেছে।
২৮জুন (শুক্রবার ) দিবাগত রাতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পৌর শহরের বার্মিজ মার্কেটসহ বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে ৪/৫শতাধিক ছোরা বা ছাকু জব্দ করেছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ জানান, মাদকাসক্ত ও বখাটের কারনে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ওইসব কর্মকান্ডে একে অপরকে ঘায়েল করতে একধরেন চাকু ব্যবহার করে থাকে। দোকান গুলোতে এ জাতীয় চাকু বিক্রয়ের খবর পেয়ে আমি অভিযান পরিচালনা করে ৫শতাধিক চাকু জব্দ করেছি। এজাতীয় চাকু বিক্রয়ে তাদেরকে প্রাথমিক ভাবে নিষেধ করেছি।
এছাড়া উপজেলার যেকোন বাজারের দোকানীরা এসব ধারালো চাকু বিক্রয়ে সর্তক থাকার ও আহবান জানান তিনি।

মতামত...