,

ভেজাল ব্যবসায়ীদের শাস্তি ফাঁসিই হওয়া উচিত: র‌্যাব ডিজি

আলো নিউজ ২৪ ডেস্ক:

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, কোথায় ভেজাল নেই। খাবারে ভেজাল, রেস্টুরেন্ট, রাস্তার দোকানেও।

খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল। দুধের মধ্যে পানি তা-ও কিন্তু ভেজাল। ব্যবসায়ীরা গরুর খাদ্য ঘোষণায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য আমদানি করছেন।

অথচ নতুন মেয়াদের তারিখ বসিয়ে বিক্রি করছেন। এরা আসলে নীরব ঘাতক। এরা নীরবে আমাদের দেশের মানুষকে হত্যা করছে। ফাঁসিই তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ রিটেইল ফোরাম আয়োজিত ‘সুপারস্টোরে পণ্যের মান রক্ষণাবেক্ষণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘একটি সভ্য দেশের মতো সব গুণাবলি আমাদের দেশে উপস্থিত। আমরা শিশুদের জন্য বিষাক্ত খাদ্য চাই না। আমাদের কোনো ব্যবসায়ী কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে ভেজাল খাদ্য তৈরি করবেন তা আমরা চাই না। দ্রুত বড়লোক হওয়ার নেশায় ভেজালে জড়াবেন না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এসব করতে পারে না। আমার দেশের যুবসমাজকে বিষাক্ত খাবার খাইয়ে ব্যবসা করতে দেয়া হবে না। এটা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে।’

র‌্যাব কখনো রেভিনিউয়ের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে না উল্লেখ করে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘র‌্যাব জরিমানা করে কোনো ফায়দা পায় না। আপনার জীবনটা, সন্তানের জীবনটা ও সুস্থ জাতি তৈরির জন্য র‌্যাব অভিযানে যায়। এ দায়িত্ব কিন্তু সবার।’

‘এবার ঈদুল ফিতরের আগে রমজানকে ঘিরে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার ভেজাল খেজুর জব্দ ও ধ্বংস করেছে র‌্যাব ম্যাজিস্ট্রেট। এই খেজুর কিন্তু স্টোরেজেই আসেনি। যদি আসত তাহলে আরবি হরফে নতুন করে লেখা হতো। মেয়াদ টেম্পারিং করা হতো। বিক্রি হতো আর আমরাই খেতাম।’

তিনি বলেন, ‘হজ করবে মানুষ সেখানেও ভেজাল। দেড়শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। প্রান্তিক মানুষের কাছ থেকে এই টাকা হাতিয়ে নিতে একটি চক্র জোটবদ্ধ হয়েছিল। সেখানে র‌্যাব গেছে। জরিমানা করেছে, বন্ধ করেছে।

মতামত...