,

প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

গত দু’একদিন ধরে কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় আমি ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার নামে অপ্রচার চালানো হচ্ছে। যেটি হাস্যকর ছাড়া আর কিছু নই। বর্তমান সময়ে প্রশাসন ও সরকারী গোয়েন্দা সংস্থা অনেক কষ্ট করে সর্বোচ্চ ভাবে সঠিক মাদককারীদের তালিকা প্রণয়ন করেছে। কোনো সরকারী গোয়েন্দা সংস্থার কোনো মাদকে তালিকাতে আমার পরিবার ও আত্নীয় স্বজনের কারো নাম নেই। শুধু মাত্র গত ২০১৩ সালে তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় রাজনীতির প্রতিহিংসা পরায়নে আমার এক আপন ভাই সহ বেশ কয়েকজন আত্নীয়ের নামে মাদকের অভিযোগে অপবাদ দেয়। পরবর্তীতে কোনো সরকারী গোয়েন্দা সংস্থা আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার আরিফ সহ কোনো আত্নীয় বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ পাইনি। অথচ সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হল মাদকের এই তালিকাতে সরকারী গোয়েন্দা সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক কারবারীদের নাম ছিলনা। আমার পরিবারের সবাই উচ্চ শিক্ষিত। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে আমরা তিন ভাই উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করেছি,,ছোট ভাই এখনো এলএলবিতে অধ্যায়নরত। ২০১৩ সালে তৎকালীন এক ইউপি সদস্যের সাথে আমাদের বেশ কিছু রাজনীতির মনমালিন্য রয়েছে। যা বর্তমানে সমাধান হয়ে গেছে। এই অভিযোগে আমার আপন মামা বাহারছড়া ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যও রয়েছে। যেটি হাস্যকর ছাড়া আর কিছু নই। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হল আমার মামার সাথে ও এক মামাত ভাইয়ের সাথে ২০১৩ সালের তৎকালীন মেম্বার মোক্তার ভাইয়ের সাথে নির্বাচনের বিষয়ে কিছু মনমালিন্য ছিল। যা বর্তমানে সমাধান হয়ে গেছে। সেই ইউপি সদস্যের ভাষ্যনুযায়ী সে নিজেও জানেনা এই তালিকা সম্পর্কে। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে আমার আত্নীয়রা বাহারছড়ার রাজনীতিতে অনেক এগিয়ে। সরকার দলীয় আমার এক ভাই আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্বাচন করারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেখানে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে খুব বেশি। আর সংবাদে আমার কিছু আত্নীয় ও পরিবারের বিরুদ্ধে ইয়াবা সিন্ডিকেটের অভিযোগ আনা হয়েছে। যেটা ডাহা মিথ্যা ও হাস্যকর। সকল সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থাদের আমার এলাকায় আমন্ত্রণ। অনুবিক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখুক আমার পরিবার ও কোনো নিকট আত্নীয় ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত কিনা। সাংবাদিকতার খাতিরে আমি বিভিন্ন সময় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রির্পোট করেছি। প্রায় সময় প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছি,,যা এখনো বিদ্যমান। আর নিউজে বলা হয়েছে শামলাপুর একটি মাদ্রাসার আমি নাকি জাতির জনকের ছবি ভেঙ্গেছি,,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভেঙ্গেছি। এটিও একটি তথ্যহীন সম্পুর্ণ মিথ্যা অপ্রচার। যা বস্তনিষ্ট সংবাদের পরিপন্থি। যদি আমি ছবি ভেঙ্গে থাকতাম তাহলে মাদ্রাসার কতৃপক্ষ নিশ্চয় আমার বিরুদ্ধে মামলা করত। প্রকৃত ঘটনা হল যে আমার মামা বর্তমান ইউপি সদস্যের সাথে একটি ভুল বুঝাবুঝিতে তার এক শালার সাথে একটু সমস্যা হয়েছিল। যা দুগ্রুফের মারামারি হওয়ার সম্ভবনা ছিল। তবে স্থানীয় মুরুব্বিদের হস্তক্ষেপে কোনো ধরণের অপ্রতিকর ঘটনা ছাড়া তা সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু কিছু প্রতিপক্ষ লোক ঘটনাকে উছকিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন যড়যন্ত্র করেছিল। যার ধারাবাহিকতায় উক্ত অভিযোগটি আনা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা বাহিনীর অধিকতর তদন্ত করে উক্ত ঘটনার সত্যতা পাইনি। যার জন্য বিষয়টি তখন সুুন্দর ভাবে শেষ হয়ে যায়। নিউজে আরো উল্লেখ করা হয়ে যে তোফাইয়েল নামক এক ব্যক্তি নাকি মারামারির জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার হল তোফাইয়েল সম্পর্কে আমার মামার শালা হয়। মামার আরেক শালার সাথে ঝগড়া হওয়ার সময় সে যখন সবাইকে শান্ত করতে চেষ্টা করে তখন তাকে ভুল বুঝে কিছু টানাটানি করছিল। এক পর্যায়ে তার মাথার এক স্থান থেকে রক্ত বের হয়। পরে তাকে স্থানীয় বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কক্সবাজার নিয়ে আসা হয়। পরে তোফাইল মামা অভিমানে ৩০-৪০ জনকে আসামী করে একটি মামলা করে। যেটি সবার সাথে ভুল বুঝাবুঝির নিরসন হয়ে সমাধান হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে আমরা সবাই এক সাথে চলাফেরা করি। এছাড়া নিউজে আরো কিছু বির্তকিত বিষয় প্রচার করেছে যেটি একজন সামান্য গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে প্রচার করতে বিবেকে বাধা দিচ্ছে। কক্সবাজার ভিক্তিক একটি অনলাইনের সম্পাকের সাথে একটি কাজে আমার ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে তিনি আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাইয়ের মত। অতীতে তার সাথে অনেক বিষয়ে শেয়ার করতাম। তিনি ভাল পরামর্শ দিতেন। কিন্তু সামান্য ভুল বুঝাবুঝিতে তিনি আমার উপর অনেক রেগে গিয়েছেন। শেষে আমি ও তিনি আবেক বসত অনলাইনে একদম ব্যক্তিগত আক্রমনের দিকে ধাবিত হয়। যেটা আমাদের মাঝে অনেকে দেখেছেন। প্রথমত আমি তার একজন মোষ্ট জুনিয়র ছোট ভাই। তাই তার সাথে আমার আরও অনেক ভাল ব্যবহার করা দরকার ছিল। ইয়াবার বিষয়ে আমরা একে অন্যকে কাদাঁ ছোঁড়াতে থাকি। সেটা কখনো কাম্য ছিলনা। আশা করি তার সাথে সামান্য ভুল বুঝাবুঝিটি খুব শীঘ্রই সমাধান হবে ইনশাল্লাহ। সাথে সেই সাংবাদিক ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ তর্কবিতর্ক না করে আসুন আমরা সবাই মিলে মাদককে নির্মুল করি। দেশে যুব সমাজ,,ছাত্র সমাজসহ সকল স্তরের মানুষকে মাদকের কালো থাবা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করি। শেষে আমার সিনিয়র সাংবাদিক ভাইয়ে মঙ্গল কামনা করে আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবাদকারী রিয়াজুল হাসান খোকন গণ্যমাধ্যম কর্মী।

মতামত...