,

শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হাজী সাইফুল করিম ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ফাইল ছবি

দেশের দক্ষিন সীমান্তের শীর্ষ স্থানীয় ইয়াবা মাদক ব্যবসায়ী হাজী সাইফুল করিম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

সে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শিলবনিয়াপাড়া গ্রামের ডা. হানিফের ছেলে।

স্বারাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সহ সকল গোয়েন্দা সংস্থার তালিকার শীর্ষে তার অবস্থান।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়,

তাকে টেকনাফ থানার মামলা নং-১৪, তাং-০৫/০৫/২০১৯খ্রিঃ, ধারা-১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯-A এবং টেকনাফ মডেল থানার মামলা নং-১৫,তাং- ০৫/০৫/২০১৯খ্রিঃ ধারা- ২০১৮ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর ১০(গ)/৪১

গ্রেফতার পূর্বক ব্যাপক জিজ্ঞেসাবাদে সে জানায় যে, গত কয়েক দিন পূর্বে ইয়াবার একটি বড় চালান ইঞ্জিন চালিত বোট যোগে মায়ানমার হইতে আনিয়া টেকনাফ মডেল থানাধীন টেকনাফ সদর স্থল বন্দরের সীমানা প্রাচীরের শেষ প্রান্তে নাফ নদীর পাড়ে মজুদ করিয়াছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াবা উদ্ধারের জন্য ৩১ মে রাত সাড়ে ১২ টায উক্ত স্থানে পৌঁছলে পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া তাহার অপরাপর সহযোগী অস্ত্রধারী ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে এসআই/রাসেল আহমেদ, কং/ইমাম হোসেন, কং/মোঃ সোলেমান আহত হয়। তাৎক্ষণিক আমার নির্দেশে নিজেদের জীবন সরকারী সম্পত্তি রক্ষার্থে পুলিশ ৫২ রাউন্ড গুলি করে । এক পর্যায়ে আটককৃত মোঃ সাইফুল করিম (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়। গোলাগুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে আমরা গুলি করা বন্ধ করি। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থল হইতে অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করিতে করিতে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলের আশপাশ এলাকায় ব্যাপক তল্লাশী করে আসামীদের বিক্ষিপ্ত ভাবে ফেলে যাওয়া ১। ০৯ (নয়) টি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র) ২। ৪২ (বেয়াল্লিশ) রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ৩৩ (তেত্রিশ) রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাইয়া যায়।যাহা জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে গুরুতর আহত গুলিবিদ্ধ মোঃ সাইফুল করিম (৪৫) কে ৩১/০৫/২০১৯খ্রিঃ তারিখ ০১.৩০ ঘটিকার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাহাদের কে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। পরবর্তীতে তাহাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়া গেলে তথায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাহাকে মৃত ঘোষনা করেন। উল্লেখ্য যে, থানা রেকর্ড পত্র সিডিএমএস পর্যালোচনা করিয়া মোঃ সাইফুল করিম (৪৫) এর বিরুদ্ধে ১। টেকনাফ থানার এফ আই আর নং-১৫/৩৩৬, তারিখ- ০৫ মে, ২০১৯; ঘটিকা ধারা- ১৯ (ধ)/১৯(ভ) ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন; ২। টেকনাফ থানার এফ আই আর নং-১৫/৩৩৭, তারিখ- ০৫ মে, ২০১৯; ঘটিকা ধারা- ৩৬(১) এর ১০(গ)/৪১ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮;৩। ডবলমুরিং মডেল থানার এফ আই আর নং-৫৬, তারিখ- ৩০ এপ্রিল, ২০১৯; ধারা- ৪ (২) ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন; তৎসহ ২৬ (২)/২৭ (১) ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইন; ৪। টেকনাফ থানার এফ আই আর নং-৪৩/৬৮২, তারিখ- ০৯ নভে, ২০১৮; ঘটিকা ধারা- ১৯(১) এর ৯(খ)/২৫ ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৫। টেকনাফ থানার এফ আই আর নং-১০, তারিখ- ০৩/০৫/২০১৯খ্রিঃ ধারা- ১৯ (অ)/১৯(ভ) ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন ৬। টেকনাফ থানার এফ আই আর নং-১১, তারিখ- ০৩/০৫/২০১৯খ্রিঃ ধারা- ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) এর ১০ (গ)/৪১ ৭। সিএমপি হালিশহর থানার মামলা নং- ১(৫)১৮, ধারা- ১৯৯০ সলের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯(১) এর ৯ (খ)/২৫/৩৩(১)
পাওয়া যায়। ইয়াবার পরিমান ১৩০০০০০ লাখ। এজাহার নামীয় আসামী বর্ণিত ঘটনা সংক্রান্তে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা/মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।##

মতামত...