,

কাল থেকে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ নিরানন্দে কাটবে টেকনাফে জেলেদের ঈদ


মুহাম্মদ জুবােইর, টেকনাফ:
সারাদেশের ন্যায় টেকনাফেও কাল ২০ মে থেকে ৬৫দিন বন্ধ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার। এনিয়ে হাতাশায় দিনকাটছে টেকনাফ উপকুলীয় অঞ্চলের জেলে সম্প্রদায়ের মাঝে। নিরানন্দে কাটবে তাদের আসন্ন ঈদ মৌসুম। একদিকে মাহে রমজান অপরদিকে আসন্ন ঈদ মৌসুমের বাড়তি খরছ সব মিলিয়ে বিশালাকারের ব্যয় ধনী পরিবার থেকে মধ্যপরিবারের মাঝে। তাদের মধ্যে অনেকে জড়িত সাগরে মৎস আহরনের সাথে। দেশের অন্যান্য জেলা সমূহের মত টেকনাফে ছোট, বড় কোন পুকুর বা দীঘি নেই। জেলেদের মৎস আহরন এক মাত্র নাফনদী ও সাগর ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই। এমতাবস্থায় দীর্ঘসময় মৎস আহরনের নিষেধাঙ্গা মরার উপর খরার গা। জেলেদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না রেখে এ নিষেধাজ্ঞায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস শিকারি জেলেরা। তারা নিষেধাজ্ঞা অমান্যের ঘোষণা দিয়েছে। অপরদিকে নিষেধাজ্ঞা প্রশ্নে অনড় অবস্থানে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। এ অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন প্রশ্নে সংঘাতময় পরিস্থিতির আশঙ্কার পাশাপাশি লাখ লাখ জেলে পরিবারের ভরণপোষণ কি করে চলবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সরকারি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার ঘোষনা দিয়েছে জেলেরা। টেকনাফের সাগর উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেরা ইতি মধ্যে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। এছাড়া মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালনের ঘোষনাও দিয়েছে তারা। স্বারক লিপি প্রদান শেষে সাংবাদিকদের জানান, আমরা সরকারের যে কোন সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানাই। প্রতি বছর ইলিশ প্রজননের সময় ২৮দিন বঙ্গোপসাগরে মৎস আহরন বন্ধ রাখে, জেলেরা তাহা মানিয়া মৎস আহরন বন্ধ রাখি। এই পবিত্র রমজান মাসে মৎস আহরন বন্ধ রাখিলে জেলে পরিবারের জীবন জীবিকা বন্ধসহ মাছের অকাল দেখা দেবে। এসব বিষয় বিবেচনা করে মৎস আহরনের উপর জারী নিষেধাঙ্গা প্রত্যাহার করার দাবী জানান। ####

ফাইল ছবি

মতামত...