,

টেকনাফে মাংস বিক্রিতে গলাকাঁটা বাণিজ্য



বিশেষ প্রতিবেদক:
ভোক্তা অধিকার আইন আছে প্রয়োগ নেই।এমনই অবস্থা চলছে দেশের সর্বদক্ষিন সীমান্ত টেকনাফ পৌরসভাসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে।
গরু-মহিষের মাংস বিক্রিতে সিন্ডিকেট সৃষ্টি করে ক্রেতাদের উপর চালিয়ে যাচ্ছে গলাকাঁটা বাণিজ্য । ফলে মাংস ব্যবসায়ীরা চড়া মূল্যে মাংস বিক্রিতে হাতাশায় ভোগছেন সাধারন ক্রেতারা। ২১ এপ্রিল রবিবার সকালে টেকনাফ পৌরশহর ও আশপাশের এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে মাংসের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গেলেও প্রশাসনের কোন নজরদারী নেই বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এনিয়ে ফেইজবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়াতে চলছে ক্ষোভে তোলপাড়া।
টেকনাফ পৌর বাস ষ্টেষনে কথা হয় পুরাতন পল্লান পাড়ার আবদুল হাকিম নামের এক মাংস ক্রেতার সাথে, তিনি জানান ৬শ পঞ্চাশ টাকা দামে শবেবরাত উপলক্ষে মাংস ক্রয় করেছেন।সাবরাং আছারবনিয়া এলাকার আদনান ফারুক জানান দক্ষিন নয়াপাড়া বাজার হতে তিনি ৭শ টাকা দামে গরুর মাংস ক্রয় করেছে।
এভাবে চড়া মূল্যে মাংস বিক্রি করার ফলে নিম্ন আয়ের অনেকে মাংস ক্রয় করতে না পেরে হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

আসন্ন রমজান মৌসুমে এই মূল্য আরো বাড়তে পারে বলে অনেকে ধারনা করছেন। এমনকি টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন চত্বরেও অতিরিক্তি মুল্যে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।অথচ প্রশাসন এব্যাপারে বে-খবর। এনিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সচেত মহলের দাবী মজার মনিটরিং না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাচ্ছে। শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো ঘটনা ঘটে যেতে পারে। প্রভাব পড়তে পারে মাংসের দামের ওপর । কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মাংসের অতিরিক্ত দাম রাখায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগও শুনা যায়। প্রশাসনের বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমান আদালত কার্যক্রম ব্যবস্থা ঝিমিয়ে পড়ার কারণে অসাধু কসাইরা এ সুযোগ হাতে নিয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাসাধারনের।

মতামত...