,

বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলটাই বেছে নিয়েছি : প্রধান নির্বাচক

ক্রীড়া ডেস্ক ::

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কথায় আগেই জানা গিয়েছিল বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ১৫ জনের মধ্যে ১৩ ক্রিকেটারের নাম। জল্পনা-কল্পনা ছিলো বাকি ২ জনের নামকে ঘিরেই। অবশেষে সব গুঞ্জন, আলোচনা থামিয়ে আজ জানা গেলো বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড।

যেখানে শেষ দুই খেলোয়াড় হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন অনভিষিক্ত পেসার আবু জায়েদ রাহী এবং অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। স্কোয়াড ঘোষণার পর থেকেই আলোচনা বেড়েছে এ দুইজনের জায়গায় বাঁহাতি টপঅর্ডার ইমরুল কায়েস এবং ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদকে নেয়ার ব্যাপারে।

তবে বাইরের আলোচনা-সমালোচনা যতোই থাকুক না কেন, প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু মনে করছেন বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলটিই ঘোষণা করতে পেরেছেন তারা। এই মুহূর্তে স্কোয়াডের ১৫ জনই দেশের সেরা ক্রিকেটার।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কনফারেন্স হলে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচক। এ সময় তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা আমাদের সেরা দল। বিশ্বকাপের জন্য আমরা দল তৈরি করেছি, অবশ্যই এই মুহূর্তে এটা সেরা দল। এখানে কিন্তু একজন বাদে বাকি সবারই অভিজ্ঞতা আছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার। আবু জায়েদ রাহীরই শুধু অভিষেক হয়নি। সেই হিসেবে আমি মনে করি যে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারলে ইনশাআল্লাহ আমরা ভালো করবো।’

স্কোয়াডটিকে সেরা বললেও কয়েকজন খেলোয়াড়ের ফর্ম নিয়ে চিন্তা ঠিকই রয়ে গেছে প্রধান নির্বাচকের। টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার কিংবা লেট অর্ডারে সাব্বির রহমানরা সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা রানের দেখা পাননি। তবে এটিকে খুব বড় করে দেখতে রাজি নন নান্নু। তার মতে ঘুরে দাঁড়ানোর পর্যাপ্ত সময় এখনো রয়েছে হাতে।

নান্নুর ভাষ্যে, ‘ফর্ম নিয়ে তো আমরা অবশ্যই চিন্তায় আছি। আরেকটি ব্যাপার হলো যে, বিশ্বকাপের আগে এখনও তিন মাস সময় আছে। মাঝে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজও আছে। সুতরাং টিম ম্যানেজমেন্ট এবং কোচের সাথে এই ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। একটি সুযোগ সামনে আছে। আর এরা কিন্তু এর আগে পারফর্ম করেছে। এমন না যে পারফর্ম করেনি। এটি আসলে সময়ের ব্যাপার। আমার কাছে মনে হচ্ছে যে ত্রিদেশীয় সিরিজের আগেই আমাদের এখানে যে প্রস্তুতি ক্যাম্প আছে এখানে আমরা ইনশাআল্লাহ ওদেরকে ভালো অবস্থানে পেয়ে যাবো।’

এসময় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ব্যাপারে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচক আরও বলেন, ‘সেরা চারের মধ্যে যাওয়ার প্রত্যাশা থাকবে সবসময়। আর আমি মনে করি এখন যে অভিজ্ঞ দল ওয়ানডের…আমরা কিন্তু ২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫১ শতাংশ ম্যাচ জিতেছি। এটা কিন্তু একটা প্লাস পয়েন্ট। যতগুলো ওয়ানডে খেলেছি তার মধ্যে ৫১ শতাংশ ম্যাচ জিতেছি। এই অভিজ্ঞতার কারণেই আমাদের প্রত্যাশা বেশি। আমি মনে করি এই দলের অবশ্যই সামর্থ্য আছে এক থেকে চারের মধ্যে থাকার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*