,

টেকনাফে জনসভায় অসুস্থ ইউপি চেয়ারম্যান মৃত্যু : হাজার হাজার মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত এইচকে আনোয়ার

হুমায়ূন রশিদ :

টেকনাফে নৌকা প্রতীকের জনসভায় বক্তব্য রাখার পর অসুস্থ হয়ে পড়া ইউপি চেয়ারম্যান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। হাজার হাজার মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় নিহত ইউপি চেয়ারম্যানকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।
১৯ মার্চ বিকাল সোয়া ৩টায় উপজেলার হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে জানাজা পূর্ব এক আলোচনা সভা হোছাইন আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে মরহুমের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, মরহুমের ভাই সিরাজুল মনোয়ার, কক্সবাজারের সাংসদ সাইমুল সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, আব্দুর রহমান বদি, জেলা বিএনপি সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সফিক মিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ, ইউএনও মোঃ রবিউল হাসান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রফিক উদ্দিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এইচএম ইউনুছ বাঙ্গালী, হোয়াইক্যং মডেল ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী, উখিয়া রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, হ্নীলা বাজার কমিটির সেক্রেটারী জহির আহমদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক তোফাইল আহমদ, মরহুমের দুই ছেলে জাহেদ হোসেন স¤্রাট ও আলী হোছন শোভন প্রমুখ।
উল্লেখ্য তিনি, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় উপজেলার সাবরাংয়ে নৌকা প্রতীকের জনসভায় বক্তব্য রাখার পর অসুস্থতা অনুভব করেন। সেখান হতে দ্রæত গাড়িযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে গমনকালে তিনি কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অবস্থায় উন্নতি না হওয়ায় কক্সবাজার যাওয়ার পথে কোর্টবাজার এলাকায় পৌঁছলে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তিনি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মাষ্টার আমির আলীর ৪ ছেলে ও ৬ মেয়ের মধ্যে ২য়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ২ মেয়ে, মা ও নাত-নাতনী, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য শুভাকাংখী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মতামত...