,

টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ’র কিছু কথা

আমি আলহাজ্ব জাফর আহমদ, চেয়ারম্যান, টেকনাফ উপজেলা পরিষদ টেকনাফ

এর কিছু কথা…..

‘আজ ১৬ ই ফেব্রুয়ারি টেকনাফের ইয়াবা কারবারীদের আত্মসমর্পন অনুষ্টান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সরাষ্ট্রমনত্রী, ও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনের দায়িত্বরত অফিসাররা প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুন্দর ও সফলভাবে শেষ করেছেন তার জন্য আমরা টেকনাফের সমস্ত জনপ্রতিনিধি ও সাধারন মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত এবং আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

উল্লেখ্য, আমি বর্তমান টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে আছি,সেহেতু কক্সবাজার ডিসি মহোদয়ের দাওয়াত কার্ড পেয়ে আমি ও আমার ছেলে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাজান মিয়া আত্মসমর্পন অনুষ্টানে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে সবাই কে উৎসাহীত করেছি।

কিন্তু অত্যান্ত দু:খের সহীত এবং ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতেছি যে, আমি আর আমার সন্তান যদি অসৎ লোক হয়ে থাকি সরকারের পক্ষ থেকে কখনো দাওয়াত কার্ড পেতাম না। বরং অবহেলার স্বীকার হতাম। আর আমরা যদি সত্যিই সত্যিই মাদক ব্যাবসায়ী হয়ে থাকি আপনারা সঠিক যাচাই বাচাই করে প্রশাসন কে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন। সরকারের সব শাস্তি মাথা পেতে নিব, ইনশাআল্লাহ।

পরিশেষে বলতে চায়,কথিত হলুদ মিডিয়া ভাইয়েরা আমি আর আমার সন্তানকে মুখে গোল চিহ্ন দিয়ে যে মিথ্যা ,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছেন, আপনারা শুধু আমাদের কে কলংখিত করেননি, কলংখিত করছেন মহান পবিত্র সাংবাদিকতা পেশাকেও।

বিশেষ কথা হচ্ছে, আমি বিগত ৪৫ টি বছর রাজনৈতিক জীবন সফলভাবে পার করে আসছি, সর্বশেষ আমাকে বিগত উপজেলা নির্বাচনেও টেকনাফের সাধারন জনগন বিপুল ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, মনে হয় এটাই আমার পাপ, তা না বলে এমন হওয়ার কথা নই।

এবং আগামী ২৪ ই মার্চ টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, আমার প্রতিপক্ষ ও ষড়যন্ত্রকারীরা আবারো আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে উঠে পডে লেগেছে এবং আমার পরিবারকে হুমকির মুখে ফেলতে তারা পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।

আমি টেকনাফের সকল জনগন, গোয়েন্দা বিভাগ, প্রশাসন এবং সর্ব শ্রেনীর মানুষকে এই মিথ্যে, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ পড়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

অনুরোধক্রমে,
আলহাজ্ব জাফর আহমদ,
চেয়ারম্যান

টেকনাফ উপজেলা পরিষদ, টেকনাফ।

মতামত...