,

মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের বিরোদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা



গত ০৪ জানুয়ারী ২০১৯ ইং (১) দৈনিক সকালের কক্সবাজার, (২) দৈনিক কক্সবাজার ও (৩) দৈনিক আপন কণ্ঠ প্রত্রিকাসহ বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশিত/পরিবেশিত হয় তাহা ডাহা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যে প্রনোদিত। প্রকৃত ঘটনা এই যে, গত ০৩ জানুয়ারী/২০১৯ তারিখ দুপুর ১৩:৩০ ঘটিকায় টেকনাফ মডেল থানাধীন সদর ইউনিয়নের রাজারছড়া গ্রামস্থ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক পাচারকারী মৃত সুলতান আহম্মেদ এর পুত্র মোহাম্মদ আলী’র বসতবাড়ীতে আমার নেতৃত্বে আনসার ব্যাটলিয়ন ও বিভাগীয় স্টাফদের নিয়ে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা কালে আমরা বিধি মোতাবেক মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রহিমা খাতুন, মেয়ে পারভীন আক্তার ও ০২ জন স্থানীয় নিরপেক্ষ স্বাক্ষী মোঃ আব্বাস (৩৫), পিতা- মৃত রশিদ আহম্মদ ও মোঃ করিম (২০), পিতা- মৃত জাফর আলমদ্বয়ের সম্মুখে আমাদের পরিচয় প্রদান পূর্বক মোহাম্মদ আলীর বসতঘর তল্লাশী করি। তল্লাশী কালে উক্ত বসতঘর হতে কোন মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয় নাই এবং কোন প্রকার পয়সা বা অন্য কোন মূল্যবান সামগ্রী নেয়া বা নষ্ট করা হয় নাই। অভিযান শেষে নিষ্ফল অভিযানের প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তাতে সাক্ষীদের স্বাক্ষর ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত মোহাম্মদ আলীর বড় মেয়ে পারভীন আক্তার এর স্বাক্ষর গ্রহণ করে ঘটনাস্থলে ত্যাগ করি। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে জানিতে পারি যে, (১) মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানার মানব পাচার মামলা নং- ০৩(০৭)১৩ (২) মোহাম্মদ আলীর বড় ছেলে আব্দুল কুদ্দুস প্রকাশ আবদুল্লাহ (২৫) এর বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানার মাদক মামলা নং -৫৫ তারিখ ২৭-০৮-২০১৮ ও টেকনাফ মডেল থানার মামলা নং ৫১(০৪)১৪ এ ছাড়া ও মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী ও অন্য ছেলে মেয়েদের বিরোদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রহিমা ও মেজ মেয়ে পারভীন ২০০০( দুই হাজার ) পিছ গ্রেফতার হয়ে হাজত বাস করেছে ( মামলা চলমান)। স্বপরিবারে মাদক ব্যবসা ও মানব পাচারে জড়িত মাদক সম্্রাট মোহাম্মদ আলী বিশেষ কোন ব্যক্তি বা গোষ্টির প্ররোচনায় আমাদের বিরোদ্ধে টাকা ও স্বর্ণ লুট করার মিথ্যা অভিযোগ আনয়ন করেছে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর , টেকনাফ সার্কেল এর মাদক বিরোধী অভিযানকে বাধাগ্রস্থ ও প্রশ্নবিদ্ধ করার ঘণ্য অপচেষ্টার অংশ হিসেবে আমাদের বিরোদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বলে আমার নিকট প্রতীয়মান হওয়ায় আমি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং ভবিষ্যতে যে কোন সংবাদ পরিবেশনের সময় বস্তু নিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করতে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়ে প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য যে, টেকনাফ মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর টেকনাফ সার্কেল ২০১৮ সালের জানুয়ারী হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত (১২ মাসে) পৃথক অভিযান চালিয়ে ১০ কোটি ১৮লাখ ১হাজার টাকা মূল্যের ৩লাখ ১৩হাজার ১শত পিছ ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য জব্দ করেছিল।

প্রতিবাদকারী
মো: আবদুস সালাম
পরিদর্শক ( ভারপ্রাপ্ত)
অস্থায়ী সার্কেল টেকনাফ
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়

.

মতামত...