,

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শুরু: টেকনাফে ১২টি কেন্দ্রে ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

 

বিশেষ প্রতিবেদক::

সারাদেশের ন্যায় শিক্ষা  জীবনের প্রথম সার্টিফিকেট পরিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুসারে আজ রবিবার ( ১৮ নভেম্বর ) থেকে শুরু হবে।
জানা যায়, এবারে টেকনাফ উপজেলায় ১২টি কেন্দ্রে মোট ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৫৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করবে৷ তম্মধ্যে ১০১টি স্কুলের (কেজি, সরকারী-বেসরকারী স্কুলসহ) ১ হাজার ৯০৬ জন বালক, ২ হাজার ২৩২ জন বালিকা, মোট ৪ হাজার ১৩২ জন। এতে মুসলিম ৩ হাজার ৯৮১ জন, হিন্দু ৭৮ জন, বৌদ্ধ ৭৯ জন, খ্রিস্টান নেই। তাছাড়া ৮ জন প্রতিবন্ধী পরিক্ষার্থী রয়েছে। স্কুলে ছেলের চেয়ে ৩২৬ জন মেয়ে পরিক্ষার্থী বেশী। ৩৬টি মাদ্রাসার ৫৬৮ জন বালক এবং ৮৮২ জন বালিকা মোট ১ হাজার ৪৫০ জন। মাদ্রাসা সমুহে ছেলের চেয়ে ২৪৬ জন মেয়ে পরিক্ষার্থী বেশী। মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে (স্কুল ও মাদ্রাসা) ২ হাজার ৪৭৪ জন ছাত্র এবং ৩ হাজার ১১৪ জন ছাত্রী। এবারে মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বালকের চেয়ে ৬৪০ জন বালিকা বেশি। টেকনাফ উপজেলায় মোট ১২টি কেন্দ্রে ১২ জন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ১২ জন কেন্দ্র সচিব, ১২ জন হল সুপার, ১২ জন সহকারী হল সুপার, ২২৩ জন হল পর্যবেক্ষক নিয়োগ ইতিমধ্যেই চুড়ান্ত করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ এমদাদ হোসেন চৌধুরী (০১৮১৬৬০৯১৪৭) উক্ত তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আনন্দ-উৎসব পরিবেশে পরিক্ষা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে অনুষ্টানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্ততি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের সচিবদের দায়িত্বে উত্তরপত্রসহ আনুষাঙ্গিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পৌঁছানো এবং বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। জিনজিরা কেন্দ্রের প্রশ্নপত্র সেন্টমার্টিনদ্বীপ পুলিশ ফাঁিড়র লকারে, হোয়াইক্যং কেন্দ্রের প্রশ্নপত্র হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁিড়র লকারে এবং শামলাপুর কেন্দ্রের প্রশ্নপত্র শামলাপুর পুলিশ ফাঁিড়র লকারে রাখা হয়েছে। অবশিষ্ট ৯টি কেন্দ্রের প্রশ্নপত্র টেকনাফ মডেল থানার লকারে থাকবে। প্রতিদিন পরিক্ষা শুরু হওয়ার আগে যথানিয়মে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তগণ পুলিশ প্রহরায় প্রশ্নপত্র পরিক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো নিশ্চিত করবেন। টুল-টেবিল ছাড়া অন্য কোন সমস্যা আপাততঃ নেই।
পিএসসিতে ১৮ নভেম্বর রবিবার ইংরেজী, ১৯ নভেম্বর সোমবার বাংলা, ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২২ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২৫ নভেম্বর রবিবার গণিত, ২৬ নভেম্বর সোমবার ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা।
ইএসসিতে ১৮ নভেম্বর রবিবার ইংরেজী, ১৯ নভেম্বর সোমবার বাংলা, ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২২ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার আরবী, ২৫ নভেম্বর রবিবার গণিত, ২৬ নভেম্বর সোমবার কুরআন ও তাজবীদ এবং আকাইদ ও ফিকাহ। পরিক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০.৩০টায় শুরু হয়ে ১টায় শেষ হবে। তবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরিক্ষার্থীদের (প্রতিবন্ধী) জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।
১৮ নভেম্বর রবিবার এই পরীক্ষা এক যোগে শুরু হয়ে ২৬ নভেম্বর রবিবার শেষ হবে। টেকনাফ উপজেলায় এবারের ১২টি কেন্দ্র হচ্ছে যথাক্রমে হোয়াইক্যং সরকারী প্রাইমারী স্কুল, নয়াবাজার সরকারী প্রাইমারী স্কুল, হ্নীলা শাহ মজিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, হ্নীলা আদর্শ সরকারী প্রাইমারী স্কুল, লেঙ্গুরবিল সরকারী প্রাইমারী স্কুল, দরগাহরছড়া হামিদিয়া সরকারী প্রাইমারী স্কুল, সাবরাং সরকারী প্রাইমারী স্কুল, শাহপরীরদ্বীপ সরকারী প্রাইমারী স্কুল, জিনজিরা (সেন্টমার্টিনদ্বীপ) সরকারী প্রাইমারী স্কুল, বড়ডেইল সরকারী প্রাইমারী স্কুল, শামলাপুর সরকারী প্রাইমারী স্কুল, টেকনাফ মডেল সরকারী প্রাইমারী স্কুল।
ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সমূহের পরীক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কেন্দ্র করা হয়নি। নিকটবর্তী স্কুল কেন্দ্রেই তারা পরীক্ষা দেবে। তবে ৪নং হ্নীলা আদর্শ সরকারী প্রাইমারী স্কুল, ৭নং শাহপরীরদ্বীপ সরকারী প্রাইমারী স্কুল ও ৮নং জিনজিরা সরকারী প্রাইমারী স্কুল এই ৩টি কেন্দ্রে মাদ্রাসার এবং ৩নং হ্নীলা শাহ মজিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে স্কুলের কোন পরিক্ষার্থী নেই। প্রত্যেক কেন্দ্রে একজন সরকারী অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, একজন কেন্দ্র সচিব হিসাবে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, একজন হল সুপার, একজন সহকারী হল সুপার, প্রতি ২৫ থেকে ৩০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে হল পর্যবেক্ষক নিয়োজিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
১নং হোয়াইক্যং সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে দৈংগাকাটা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিমল বড়–য়া কেন্দ্র সচিব, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নাইক্ষ্যংখালী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলম হল সুপার, রঙ্গীখালী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন সহকারী হল সুপার। এতে ১২টি স্কুলের ২২৫ জন ছাত্র ৩৩৮ জন ছাত্রী এবং ৪টি মাদ্রাসার ৪২ জন ছাত্র ৯৩ জন ছাত্রী মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের ৬৯৮ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
২নং নয়াবাজার সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক মোঃ রিদুয়ান কেন্দ্র সচিব, উপজেলা বিআরডিবি অফিসার মৃণাল কান্তি দাশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, লেদা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুর আহমদ হল সুপার, উঞ্চিপ্রাং সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম সহকারী হল সুপার। এতে ৯টি স্কুলের ১২২ জন ছাত্র ১৮০ জন ছাত্রী এবং ৩টি মাদ্রাসার ৫৩ জন ছাত্র ১০২ জন ছাত্রী মোট ১২টি প্রতিষ্টানের ৪৫৭ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৩নং হ্নীলা শাহ মজিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক নুরুল বশর ছিদ্দিকী কেন্দ্র সচিব, টেকনাফ খাদ্য গুদামের ওসি এলএসডি আবুল মনসুর মোঃ হাবিব ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কাঞ্জরপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল গফফার হল সুপার, দরগাহপাড়া সুফিয়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদা সহকারী হল সুপার। এতে ১০টি মাদ্রাসার ১৮০ জন ছাত্র ২১১ জন ছাত্রী মোট ৩৯১ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৪নং হ্নীলা আদর্শ সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক এরশাদুর রহমান কেন্দ্র সচিব, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আশীষ বোস ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ঝিমংখালী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকারিয়া হল সুপার, কেরুনতলী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল হক সহকারী হল সুপার। এতে ১৯টি স্কুলের ৩৭২ জন ছাত্র ৩৯৭ জন ছাত্রী মোট ৭৪৯ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৫নং লেঙ্গুরবিল সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে মহেশখালীয়াপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল কেন্দ্র সচিব, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ সিরাজ উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কাটাখালী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিন হল সুপার, বড় হাবিরপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নীলা সরকার সহকারী হল সুপার। এতে ৭টি স্কুলের ১৭৪ জন ছাত্র ১৮৭ জন ছাত্রী এবং ২টি মাদ্রাসার ১৪ জন ছাত্র ৩০ জন ছাত্রী মোট ৯টি প্রতিষ্টানের ৩৯৯ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৬নং হামিদিয়া সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক নুর হোসেন কেন্দ্র সচিব, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সরওয়ার কাদের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বার্মিজ সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ হল সুপার, হরিখোলা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মতলব সহকারী হল সুপার। এতে ৪টি স্কুলের ৪৬ জন ছাত্র ৭১ জন ছাত্রী এবং ৩টি মাদ্রাসার ২১ জন ছাত্র ৬৫ জন ছাত্রী মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানের ২০৩ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৭নং সাবরাং সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক আনিস উল্লাহ কেন্দ্র সচিব, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মোঃ আলমগীর কবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পানখালী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমদুর রহমান হল সুপার, মাঝেরপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ সহকারী হল সুপার। এতে ১৩টি স্কুলের ২৬০ জন ছাত্র ২৭৩ জন ছাত্রী এবং ২টি মাদ্রাসার ২২ জন ছাত্র ৩৯ জন ছাত্রী মোট ১৫টি প্রতিষ্ঠানের ৫৯৪ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৮নং শাহপরীরদ্বীপ সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক কলিমুল্লাহ কেন্দ্র সচিব, ইউআরসির ইন্সট্রাক্টর মোঃ ইলিয়াছ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মুন্ডারডেইল সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল আলম হল সুপার, সাবরাং কমিউনিটি সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম সহকারী হল সুপার। এতে ৬টি স্কুলের ১৩৩ জন ছাত্র ৯৪ জন ছাত্রী মোট ২২৭ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
৯নং শামলাপুর সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ কেন্দ্র সচিব, পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শ্রুতি পুর্ণ চাকমা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জাহাজপুরা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামরুল হুদা হল সুপার, লাতুরীখোলা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী সহকারী হল সুপার। এতে ৫টি স্কুলের ৯৯ জন ছাত্র ১২০ জন ছাত্রী এবং ৫টি মাদ্রাসার ১৩৫ জন ছাত্র ২১৬ জন ছাত্রী মোট ১০টি প্রতিষ্ঠানের ৫৭০ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
১০নং বড়ডেইল সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোছাইন কেন্দ্র সচিব, পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের অফিসার মংকিউমং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রাজারছড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মানিক মিয়া হল সুপার, জব্বারিয়া শাহীন-শরীফ সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহেদুল ইসলাম সহকারী হল সুপার। এতে ৮টি স্কুলের ৮৫ জন ছাত্র ১৩৪ জন ছাত্রী এবং ৩টি মাদ্রাসার ৪৭ জন ছাত্র ৬১ জন ছাত্রী মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানের ৩২৭ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
১১নং জিনজিরা (সেন্টমার্টিনদ্বীপ) সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিক কেন্দ্র সচিব, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয়কারী বিশ্বজিৎ ভট্রাচার্য্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শাহপরীরদ্বীপ ডাঙ্গরপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল আলম হল সুপার, জাদীমুরা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাকের আহমদ সহকারী হল সুপার। এতে ৩টি স্কুলের ৩৬ জন ছাত্র ৫০ জন ছাত্রী মোট ৮৬ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
১২নং টেকনাফ মডেল সরকারী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে প্রধান শিক্ষক এইচএম কামাল কেন্দ্র সচিব, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ নুরুল আবসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উলুচামরী সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক হোছাইন আহমদ তসলিম হল সুপার, আলীআকবরপাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমান উল্লাহ সহকারী হল সুপার। এতে ১৫টি স্কুলের ৩৫৪ জন ছাত্র ৩৮৮ জন ছাত্রী এবং ৪টি মাদ্রাসার ৫৪ জন ছাত্র ৬৫ জন ছাত্রী ১৯টি মোট প্রতিষ্টানের ৮৬১ জন পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, ২০১২ সনে মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৮১৬ জন, ২০১৩ সনে ছিল ৩ হাজার ৭১২ জন, ২০১৪ সালে ছিল ৪ হাজার ৫৯৩ জন এবং ২০১৫ সালে ৫ হাজার ৬৭৭ জন, ২০১৬ সালে ৫ হাজার ৩৩৮ জন, ২০১৭ সনে মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬৩১ জন। ##

মতামত...