,

টেকনাফে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের ছাত্র মিজানের লাশ উদ্ধার

মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ:;

টেকনাফে মো. হেলাল (১৮) নামে এক কিশোরের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে আরো এক লাশ উদ্ধার খবর ছড়িয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত সন্ধায় খালাত ভাই মিজানের লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধা ৬টার দিকে হারিয়া খালী এলাকায় যে স্থানে হেলালের লাশ পাওয়া গিয়েছিল তার একটু দুরেই মিজানের লাশ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার এস আই ইব্রাহিম।

মিজান সাবরাং কুয়ানছড়ি পাড়া এলাকার মিয়া হোসেনের পুত্র ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপিটের ৭ম শ্রেনীর ছাত্র।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টারদিকে উপজেলার সাবরাং হারিয়াখালীতে লাশের খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার এসআই মোঃ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন। মৃতদেহের মুখে কিল-ঘুষির চিহ্ন থাকলেও বড় ধরনের ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি। নিহত কিশোর পেশায় একজন টমটম চালক।

এদিকে নিখোঁজ মিজানের পিতা সাবরাং কোয়ানছড়ি পাড়া এলাকার মিয়া হোসেন জানান, নিহত হেলাল ও মিজান খালাত ভাই। মিজান চকরিয়া কোরক বিদ্যাপিটের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র। সে দশ-বারোদিন পূর্বে বাড়িতে এসে টেকনাফে বোনের বাড়িতে ছিল। সেখান থেকে দুইদিন আগে কচুবনিয়া এলাকায় খালার বাড়িতে যায়। সর্বশেষ বুধবার রাতে খালাত ভাই হেলাল ও মিজান দুইজনকে একসাথে দেখেছে গ্রামের লোকজন। সকালে হেলালের মৃতদেহ হারিয়াখালী সৈকত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

মিজানের পিতা আরো জানান, মাসখানেক আগে স্থানীয় গনির পুত্র রফিকের স্ত্রী হেলালের সাথে পালিয়ে যায়। পরে রফিকের পরিবারের চাপে তাকে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এঘটনায় হেলালকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল রফিক ও তার ভাইয়েরা। তারই জের ধরে হত্যাকান্ডের এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। হয়তো মিজান সাথে থাকায় তাকেও মেরে ফেলেছে ঘাতকরা।

মতামত...