,

জনপ্রতিনিধিরা যেন অপরাধীদের ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির না করেন…টেকনাফে মাসিক আইনশৃংখলা সভায় নবাগত ওসি

মো. শহীদ উল্লাহ, টেকনাফ :
টেকনাফ আইনশৃংখলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ অক্টোবর সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আহম্মদ। বক্তব্য রাখেন পেীরসভা মেয়র মোঃ ইসলাম, টেকনাফ মডেল থানার অফির ইনর্চাজ প্রদীপ কুমার দাস, ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ রফিক উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মিলি, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য সোনা আলী, হোয়াইক্যং ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহম্মদ আনোয়ারী, বাহার ছড়া ইউপি চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন, হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান এইচ,কে আনোয়ার, সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহম্মদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো শাহাজাহান মিয়া, কৃষি অফিসার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপজেলা একাডেমীক সুপারভাইজার নুরুল আবছার প্রমুখ।

সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মাদক বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন নবাগত অফিসার ইনচার্জকে এখনই প্রশংসা করবনা। শেষ পর্যন্ত কি করে দেখবো। তার অপরাধ দমন কর্মকান্ড পর্যবেক্ষন করেই মূল্যায়ন করা হবে।
টেকনাফ মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ইয়াবা ও রোহিঙ্গা সমাজে মহামারী আকার ধারন করেছে। এসবের সাথে জড়িত কোন অপরাধী কে ছাড় দেওয়া হবে না। কোন অপরাধীকে আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে জনপ্রতিনিধিসহ অন্যান্যদের তদবীর না করতে অনুরোধ জানান তিনি।
এক বিজিবি সদস্যের সাবরাং নয়াপাড়া এলাকায় বিয়ে করায় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কমিটির সদস্য আবুল কালাম সভায় জানতে চান ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পনের কোন সরকারী নির্দেশনা অথবা সুযোগ রয়েছে কিনা।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও রবিউল হাসান বলেন, মাদকের ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করেছে। তাই মাদক পাচার প্রতিরোধে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে আইন শৃংখলা বাহিনীকে সহযোগীতার জন্য তিনি আহবান জানান।
সভায় আইনশৃংখলা কমিটির সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্টমিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত...