,

টেকনাফে সাগরে গোসল করতে গিয়ে মাদ্রাসা ছাত্র নিহত

আমান উল্লাহ কবির ::

টেকনাফে বন্ধুদের সাথে শখ করে সমুদ্রে গোসল করতে গিয়েই মাদরাসা ছাত্র নিহত হয়েছে। সে হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালীর বাদশা মিয়ার পুত্র এবং জমিরিয়া দারুল কোরআন সিনিয়র মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্র (রোল নং-১৫) ইয়ার মোহাম্মদ (১৬)।

জানা যায়, ১৩ আগষ্ট দুপুর আড়াই টারদিকে টেকনাফের উপকূলীয় বাহারছড়ার শামলাপুর উত্তর ঘাট বীচ পয়েন্ট হতে নিখোঁজ থাকা হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালীর বাদশা মিয়ার পুত্র এবং জমিরিয়া দারুল কোরআন সিনিয়র মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্র (রোল নং-১৫) ইয়ার মোহাম্মদ (১৬) এর ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ৬ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে নিহত ইয়ার মোহাম্মদ সবার ছোট। বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তদন্ত কর্মকর্তা সাগর হতে ভাসমান অবস্থায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সন্ধ্যায় স্থানীয় গোরস্থানে জানাজা শেষে দাফনের প্রস্তুনি নেওয়া হয়েছে।
পারিবারিক সুত্র জানায়, হ্নীলা জমিরিয়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্র ইয়ার মোহাম্মদ, সহপাঠী মোহাম্মদ হোছন ও প্রতিবেশী মাহমুদ উল্লাহ,আবু বক্কর গত ১২ আগষ্ট সকালে হোয়াইক্যং হয়ে বাহারছড়া শামলাপুর যায়। সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম ও নাস্তা করার পর সাগরে গোসল করতে নামেন। কিছুক্ষণ গোসল করার পর হঠাৎ ঢেউয়ের টানে পড়ে যায় তারা। সহপাঠী মোহাম্মদ হোছন কিনারায় থাকায় কোন প্রকারে ভাসমান হয়ে ঢেউয়ের ধাক্কায় কিনারায় চলে আসে। এর অল্প কিছুক্ষণ পর আবু বক্কর ও মাহমুদ উল্লাহ কিনারায় ভেসে আসলে মোহাম্মদ হোছন ও আবু বক্কর মিলে মূমুর্ষ এবং অজ্ঞান অবস্থায় মাহমুদুল্লাহকে উদ্ধার করে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে ইয়ার মোহাম্মদের খোঁজ না পেয়ে বাড়িতে এসে জানায়। তখন থেকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে  ওই এলাকায় দুপুরে নিহতের ভাসমান লাশ পাওয়া যায়। ##

মতামত...