,

টেকনাফে তিন লক্ষ চল্লিশ হাজার মালিক বিহীন ইয়াবা উদ্ধার

মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানের মাঝে ও থেমে নেই ইয়াবা পাচার ৷ ঈদের বাড়তি ব্যয় যোগাতে টেকনাফে নব্য ইয়াবা সিন্ডিকেট বে পরোয়া হয়ে উঠেছে ৷ প্রশাসনের কঠোর নজরদারী সত্বেও থামানো যাচ্ছে না মাদক পাচার ৷ পুলিশ,বিজিবির পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধে স্থাপিত হয়েছে টেকনাফে ৫টি ক্যম্প৷ এরই মাঝে ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনস্থ নাজিরপাড়া বিওপির হাবিলদার মোঃ আশরাফুল আলম এর নেতৃত্বে একটি টহলদল নাজিরপাড়া রহমান প্রজেক্ট এলাকায় নিয়মিত টহলে গমন করে । টহলকালে ১২ আগস্ট আড়াইটার দিকে গোপন সুত্রে জানতে পারে যে, নাজিরপাড়া রহমান প্রজেক্ট এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান মায়ানমার হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে । উক্ত সংবাদের ভিক্তিতে টহলদল দ্রুত বর্ণিত এলাকায় গমন করতঃ রহমান প্রজেক্ট এর মাঠে একপার্শ্বে অবস্থান নিয়ে ওঁৎ পেতে থাকে। আনুমানিক সাড়ে ৩ ঘটিকায় টহলদল ১০/১২ জন লোককে একটি বস্তা নিয়ে আসতে দেখে সন্দেহ হওয়ায় চ্যালেঞ্জ করে। আকস্মিক বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই বর্ণিত ব্যক্তিবর্গ দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে টহলদল তাদের পিছু ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ইয়াবা পাচারকারীরা তাদের সাথে থাকা বস্তাটি ফেলে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে কাদাঁর মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল ইয়াবা পাচারকারী কর্তৃক ফেলে যাওয়া বস্তাটি খুলে গণনা করে ১০ কোটি ২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মালিক বিহীন ৩ লাখ ৪০ চল্লিশ হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে । ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আছাদুদ-জামান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানা যায় উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে, যা পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসন, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে। ##

মতামত...