,

আরমান আটক শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা

টেকনাফ মডেল থানার অভিযানে শাহপরীর দ্বীপের নুরু মেম্বারের ছেলে আরমান আটকের ঘটনায় কালের কন্ঠ ও দেশবিদেশ পত্রিকাসহ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদের একাংশে মুজিবের সিন্ডিকেটের মৌলভী আরমান আটক বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে দেখে আমি অত্যান্ত দুঃখিত ও মর্মাহত। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ব্যখ্যা,তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন টেকনাফ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের দুই, দু’বার নির্বাচিত কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-১) মাওঃ মুজিবুর রহমান। তিনি এক প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেছেন তাঁর পিতা মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানী টেকনাফ সদর ইউনিয়নের একাধারে চার,চারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন বড় ভাই বর্তমান সর্বাদিক জনপ্রিয় সাংসদ আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদি, আর চাচা হাজী মোঃ ইসলাম টেকনাফ পৌরসভার বর্তমান মেয়র হিসাবে দায়ীত্ব পালন করছেন। তাই রাজনীতির প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে একটি চক্র বেশ কয়েকবছর ধরে বিভিন্ন সময়ে আমার বিরুদ্ধে ইয়াবা সংশ্লিষ্টতাসহ বিভিন্ন অপকর্মের মদদদাতা ও রক্ষাকারী হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা করেছেন একাধিকবার। অথচ কোথাও এব্যাপারে আমার বিরোদ্ধে কেউ কোন মামলা বা অভিযোগ দেখাতে পারেননি । এরপরও কুচক্রী মহল সংবাদকর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার নাম জড়িয়ে কিছু পত্র পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। যা রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে সমাজে আমার মান ক্ষুন্ন করারই অপচেষ্টা মাত্র। আরমানকে জড়িয়ে আমার নাম ব্যবহার করা তারই অংশবিশেষ ষড়যন্ত্র। মূলত রাজনৈতিক ভাবে ঘায়েল করতে এবং এলাকায় আমার জনপ্রিয়তা খর্ব করতে এধরনের সংবাদে আমার নাম উল্লেখ করা হয়। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি এধরনের ঘৃণ্য কাজে কোন কালেই জড়িত নাই এবং ছিলাম না। বরং সব সময় মাদক বিরোধী ভূমিকা রেখে আসছি । আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় সবসময় মাদক বিরোধী অবস্থানে থাকি এবং বহু মাদক পাচারকারী ও সেবন কারীকে আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করেছি। যা পুলিশ প্রশাসন অবগত রয়েছেন। তারপরও অসৎ চক্র প্রকৃত ইয়াবা পাচারকারীদের রক্ষা করতে আমার নাম জড়িয়ে দিয়ে প্রশাাসনের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে তাদের কাছ থেকে সুবিধা হাসিল করার চেষ্ঠায় থাকে।
এভাবে পাচারকারী প্রকৃত অপরাধীরা এসব অপকর্ম ঢাকাতে বিভিন্ন এজেন্সিকে আমার নাম সরবরাহ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমি এসব অপরাধকারীদের বিরোদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ ও প্রতিবেদনে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এবং আটক আরমানের শাস্তি ও কামনা করছি।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও এধরনের রিপোর্টে প্রকাশ করায় প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যে,এ ধরনের যে কোন অপরাধের সাথে জড়িত প্রমান করতে পারলে, যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নেব। কিন্তু অদ্যবদি কেউ প্রমান করতে পারেনি।এবং জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠের সংশ্লিষ্টদের বিরোদ্ধে কয়েক বছর পুর্বে এমপি বদি ও আমি মানহানী মামলার বাদী হওয়ায় ওই পত্রিকা সংশ্লীষ্ঠরা বারবার আমার বিরোদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত থাকে। তাতেও দৈনিক কালেরকণ্ঠ ক্ষ্যান্ত না হওয়ায় ২০১১ সালে ককসবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে ১ কোটি টাকার মানহানি মামলা রুজু করা হয়। যার মামলা নং সিআর ২১৪/২০১১, ধারা ৫০০/৫০১/ তারিখ- ০২/১০/২০১১ইং। মামলার পরও ‘দৈনিক কালের কণ্ঠ’ বার বার ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা, মানহানিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাাশে অব্যাহত থাকায় আরো একটি মানহানি মামলা করা হয়। উক্ত মামলার ভিত্তিতে ককসবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালত বরাবর তৎকালিন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২২/০৮/ ১২ ইং তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেন যার নং ১৯১/২০১২।
মামলার বাদি আবদুর রহমান বদি ও আমার সাথে দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকা বার বার সমঝোতা করার বৃথা চেষ্ঠা চালিয়েও সমঝোতা করতে না পারায়,দেশে মাদক-বিরোধী বিশেষ অভিযানের সুযোগে স্বার্থান্বেষী মহল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ভুল তথ্য দিয়ে কৌশলেই আমাকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালায়। অবস্থা দেখে মনে হয় যে কালের কণ্ঠ পত্রিকা ’ আমাকে নিধনের শপথ নিয়ে মাঠে রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যে সব মিথ্যা সংবাদ করে তা মামলার বাদি -বিবাদি হিসাবে শত্রুতামূলক প্রকাশ করাটাই একদম স্বাভাবিক।
অন্য দিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল বশর আটক আরমানকে আমার সিন্ডিকেটের মূল হোতা বলে দাবী করেছেন।ইতি পূর্বে নুরুল বশর আমাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করে, দূর্নীতি দমন কমিশন বরাবর আমার কাছে অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে আবেদন পাঠিয়েছিলেন। এটিও তারই প্রতিহিংসার ধারাবাহিকতার অংশবিশেষ। এবং আটক আরমান টেকনাফ মডেল থানায় স্বীকারোক্তিতে আমার সিন্ডিকেটের সদস্য হিসাবে ইয়াবার চালান সামাল দেওয়ার কাজ করছে বলে যে দাবী উঠেছে তা কখনো সত্য হতে পারেনা। সত্যতা যাচাইয়ে টেকনাফ মডেল থানার মামলার এজহার যাচাই ও অফিসার ইনচার্জের সাথে যে কোন সরকারী,বেসরকারী ও গণমাধ্যম কর্মী যোগাযোগ করতে পারেন। অতএব দৈনিক কালেরকণ্ঠসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমাকে নিয়ে মনগড়া , ভিত্তিহীন মানহানিকর, সম্পূর্ন অবাস্তব, ও রাজনৈতিক উদ্যেশ্য প্রনোদিত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছি যে আমি শুধু আরমানের সাথে নই কোন প্রকার মাদক সংশ্লিষ্টদের সাথে ও নুন্যতম সম্পর্ক নেই।
পাশাপাশি দেশে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চলমান যৌথ অভিযানকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।
“মাদক বিরোধী অভিযানকে যখন দেশের আবালবৃদ্ধ বনিতা স্বাগত জানিয়েছেন ঠিক তখনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দৈনিক কালেরকণ্ঠ সহ কয়েকটি পত্রিকা ও ব্যক্তি উদ্যেশ্য হাসিলের জন্য তথ্য বিভ্রাট সংবাদ পরিবেশন করে সরকারের প্রকৃত স্বার্থ বিনষ্ঠ করতে কৌশলে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকল গোয়েন্দা বিভাগকে আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানাচ্ছি

‘‘প্রতিবাদকারী”
মাওঃ মুজিবুর রহমান,
প্যানেল মেয়র-১
টেকনাফ পৌরসভা ।###

মতামত...