,

বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩: অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

আলো নিউজ ২৪ ডেস্ক::
ঢাকাসহ তিন জেলা রাজশাহী ও নাটোরে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের দাবিও করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি।

ঢাকা

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের আটি এলাকায় র‌্যাব-২ এর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন (৪০) নিহত হয়েছেন। তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত আড়াইটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢামেকে নিয়ে আসেন। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা আছে।

রাজশাহী

রাজশাহীতে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুর রশিদ (৪৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে নগরীর বেলপুকুর থানাধীন তাড়াশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুর রশিদ ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে বিভিন্ন থানায় মাদক, চোরাচালানসহ ১৭টি মামলা রয়েছে।

র‌্যাব-৫ রাজশাহীর উপ-অধিনায়ক মেজর এএফএম আশরাফুল ইসলাম জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাড়াশ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যায় র‌্যাব। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীররা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ হন আব্দুর রশিদ। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মেজর আশরাফুল আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি এবং ৫৭ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুই র্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নাটোর

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কাবিল হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের দাবি, নিহত কাবিল হোসেন একজন তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক ডজন মাদক মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার মহিষভাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের স্কোয়ার্ড কমান্ডার আজমল হোসেন দাবি করেন, রাতে র‌্যাবের একটি দল টহল দেওয়ার সময় মহিষভাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে কয়েকজন লোককে আনাগোনা করতে দেখে। তখন তারা সেদিকে অগ্রসর হয়। এ সময় লোকগুলো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। র‌্যাব সদস্যরা তাদের থামতে বললে তারা উল্টো গুলি চালায়। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

কিছুক্ষণ গোলাগুলির পর সেখানে গুলিবিদ্ধ একজনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলির খোসা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

মতামত...