,

চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা সুযোগে তৎপর নব্য গডফাদার :: ফের ফের ইয়াবা ও মিয়ানমার মালামাল জব্দ

মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ::

সারা দেশে চলছে মাদক বিরোধী অভযান। কিন্তু এর মাঝেও মাদক পাচার থেমে নেই। ঈদকে সামনে রেখে তৎপর হয়েছে ইয়াবাপাচারকারীরা। প্রশাসনের গ্রেফতার এড়াতে শীর্ষ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিলে ও নব্য গডফাদাররা সুযোগ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে । এত কঠোরতার মধ্যে ও আসছে মরন নেশা ইয়াবা। এরই মাঝে টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা ও মিয়ানমারের বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এসময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি।
২ বিজিবি সূত্রে জানা যায় , হোয়াইক্যং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ লম্বাবিল এলাকা দিয়ে নাফ নদী পার হয়ে ইয়াবার একটি চালান মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে বলে গোপন সংবাদ পেয়ে
১০ জুন রাতে ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির সুবেদার মোঃ আব্দুল জলিল এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল
ওই এলাকায় নদীর পাড়ে ওঁত পেতে থাকে তারা। এক পর্যায়ে ভোররাতের দিকে ৩ জনকে নৌকায় করে বাংলাদেশের দিকে আসকে দেখা যায়।
এসময় বিজিবি সদস্যদের উপস্থিকি টের পেয়ে ইয়াবা কারবারিরা তাদের নৌকাটি ঘুরিয়ে মায়ানমারের দিকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যারা স্পিডবোটে তাদেরকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা তাদের নৌকা শাবল দিয়ে ফুটো করে সাঁতরিয়ে মায়ানমারের অভ্যন্তরে চলে যায়।
পরে টহল দল নদীতে ভেসে যাওয়া কাপড়ের ২৪টি বস্তা উদ্ধার করে সেগুলো তল্লাশি করে তিন কোটি টাকার ১ লাখ পিস ইয়াবা এবং ৩৩ লাখ ৮১ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের বার্মিজ বিভিন্ন ধরণের কাপড় ও মালামাল উদ্ধার করে। বার্মিজ মালামালের মধ্যে রয়েছে মেয়েদের স্কার্ট-১,১৬৩পিস, লুঙ্গি ৮৫৪ পিস,থামী ১,৫১৪পিস, ছেলেদের গেঞ্জি ২৬০ পিস, মেয়েদের ওড়না ৯৮পিস, ছোটবাচ্ছাদের জামা ৫৮পিস, থান কাপড় ৩০০গজ সহ অন্যান্য মালামাল রয়েছে।
২ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত বার্মিজ মালামালগুলো টেকনাফ শুল্ক গুদামে জমা করা হবে।
এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

মতামত...