,

টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ

টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র অর্থ-সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর নামে” পরিবর্তন ডটকম” নামক অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি মিথ্যা সংবাদ স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় কপি করে ইয়াবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসাবে প্রমাণ করার প্রতিবাদ……

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতিই একজন রাজনীতিবিদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আব্দুলাহ ভাইয়ের রাজনীতির আদর্শ ও পথচলা।
আজ দেশে মাদক, একটি মহামারি আকারে ধারণ করেছে। মাদকের ভয়াল রূপ পরিগ্রহ করেছে ইয়াবা। ইয়াবা উত্থানের সাথে দূর্ভাগ্যজনক ভাবে আমাদের সীমান্ত শহর টেকনাফের নাম জড়িয়ে গেছে। বিলম্ব হলেও ইয়াবার অপ্রতিরোধ্য বিস্তার ঠেকিয়ে দেয়ার জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ইতিমধ্যে শতাধিক মানুষ মাদক বিরোধী অভিযানে মৃত্যু করেছে। বেআইনি হলেও নিরবে সমর্থন জানিয়েছে দেশের আপামর জনতা। সরকারের মাদক বিরোধী অভিযানকে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, ইয়াবা সংশ্লিষ্ট নয় এমন মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে ইয়াবা কারবারিরা। যার অনিবার্য পরিস্থিতিতে আমরা হারিয়েছি টেকনাফের জনপ্রিয় তিন তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক-কে।

মৃত্যু ভয় করে এই প্রতিবাদ আব্দুল্লাহ ভাই করছে না। তাঁহার মৃত্যু হয়ে গেছে, একচ্ছত্র ক্ষমতা মানেই একচ্ছত্র দূর্নীতি। অনেক আগেই ২০০৯ সালেই তিনি এটা বুঝতে পেরেছিল। তাই টেকনাফের সকল ক্ষমতা ২টি পরিবারের গন্ডিতে আবদ্ধ হতে দিতে চাইনি। তিনি জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছি ক্ষমতার ব্যালেন্স আনতে। টেকনাফের আপামর জনতা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাকে বিজয়ী হিসেবে দেখতে চেয়েছিল। নির্বাচনে তিনি হারলেও জনগণ জিতেছে। তাঁরা এখন দেখতে পাচ্ছে, ঐ দুটি পরিবারই ইয়াবা কারবারির তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করে আছে।
আব্দুলাহ ভাই মাদক ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ অব্যাহত রাখে, উখিয়া-টেকনাফের মানুষ তার জীবন্ত স্বাক্ষী। মাদক ও মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশনে প্রচারিত তথ্য ভিত্তিক সচিত্র প্রতিবেদনে আব্দুলাহ ভাইয়ের সাক্ষাতকার থাকায় এমপি বদির ছোট ভাইকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঐতিহ্যগত ভাবে আব্দুল্লাহ একটি ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য। বিশাল ভূ-সম্পদ ছাড়াও টেকনাফের নাম করা গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক স্থাপনার মালিক তাদের পরিবার। তাকে ষড়যন্ত্র করে এলাকা ছাড়া করার জন্য বারং বার হামলা চালানো হয় তার বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। এতে ব্যর্থ হয়ে, ২০১১ সালে ৭ সেপ্টেম্বর আব্দুল্লাহ ভাইকে হত্যার প্রচেষ্টা চালানো হয়। এতে সফল না হয়ে সে দিন তাঁর ৭ বছরের শিশু পুত্র আলী উল্লাহ’কে জবাই করে হত্যা করা হয়। হাতেনাতে ধৃতদেরকে আসামী করে এজাহার দায়ের করে। এতে সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদনে টেকনাফের ইয়াবা পরিবারের সদস্যরা জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল হয়। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে বৃষ্টির মত মিথ্যা মামলা দায়ের হতে থাকে। একে একে ৪৯টি মিথ্যা মামলায় জামিন, হাজিরা ইত্যাদি নিয়ে তাকে আদালত পাড়ায় ব্যতিব্যস্ত করে রাখা হয়। ২০১৫ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারি মোস্তাক গুম হয়। উক্ত ঘটনায় মামলা করে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল হয়। ষড়যন্ত্র করে সাড়ে তিন বছর পর এই ঘটনায় আব্দুল্লাহ ভাইকে আসামী করে মামলা দায়ের হয়েছে। তখন তিনি ভারতে ছিলেন। তদন্ত চলতেছে।

তাকে ঘায়েল করার সকল চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, এখন ইয়াবা কারবারি বানানোর অপচেষ্ঠা শুরু হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ইয়াবা কারবারিদের তালিকা করেছে। কোন তালিকায় আব্দুল্লাহ ভাইয়ের নাম নেই। “পরিবর্তন ডটকম” আব্দুল্লাহ ভাই মাদক কারবার করেন বলেন, কিসের ভিত্তিতে? আর কোন যাচাই বাছাই না করে স্থানীয় পত্রিকায় ঐ সংবাদ ছাপানো সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতার মানদন্ডে কোন পর্যায়ে পড়ে?

দেশের ক্রান্তিকালে সঠিক সাংবাদিকতার বড়ই প্রয়োজন। তিনি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, আপনারা দয়া করে কারো চরিত্র হনন ও জীবন বিপন্ন করে মিথ্যা সংবাদ ছাপাবেন না। সংবাদ প্রকাশের পূর্বে অবশ্যই তদন্ত করবেন। আব্দুল্লাহ তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু জন্য সকলে দোয়া চেয়েছন। আল্লাহ হাফেজ।

প্রতিবাদকারি,
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সমর্থক গোষ্ঠী।

টেকনাফ উপজেলা।

মতামত...