,

টেকনাফ সদরের তুলাতলী গ্রাম সড়কে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি : দূর্ভোগে এলাকাবাসী

মুহম্মদ জুবাইর, টেকনাফ::

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের তুলাতলি গ্রামের সড়কটি উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি। জনসংখ্যার দিকে ওই গ্রামের প্রায় এক হাজার লোকের চলাচলের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের যাওয়ার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। প্রতিদিন জেলেরা আসা যাওয়া করে এই সড়ক দিয়ে। অথচ টেকনাফ সদরের তুলাতলি গ্রামের এই সড়কটিতে উন্নয়নে কোন ছোঁয়া লাগেনি। অন্যান্য গ্রামের সড়কের চাইতে এ সড়কটি অতিগুরুত্বপূর্ণ। জন চলাচলের এরাস্তাটির বেহাল অবস্থা হওয়ায় এলাকার জনসাধারনের নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত।স্বাধীরতার ৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। পূর্ব পশ্চিম এ রাস্তাটি হচ্ছে স্থানীয় আজল নামের দোকান হতে মৃত মাওঃ আদুল মজিদের বাড়ির সামনে থেকে সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত রাস্তাটির এমন নাজুক অবস্থা। প্রায় এক কিলোমিটারের বেশী রাস্তাটি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবী উঠেছে সাধারন এলাকাবাসীর মধ্যে। তাই রাস্তাটি উন্নয়ন ও সংস্কার করে বর্ষা মৌসুমে জনদূর্ভোগ কমাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। যদি এই মৌসুমে রাস্তাটি উন্নয়ন করা না হয় তাহলে বর্ষা মৌসুমে মানুষের চলাচলে দূর্দশা চরমে পৌছবে বলে আশংকা করছে এলাকাবাসী। রাস্তাটি উন্নয়ন ও সংস্কার হলে সমুদ্রে মৎস আহরন, কৃষকদের যাতায়তে সহজতর হবে। ফলে মানুষের প্রয়োজনীয় ক্ষেত খামারের তরি তরকারী ও মৎস্য বিক্রির জন্য দ্রুত সময়ে বাজারে পৌঁছতে পারবে। এতে মানুষের আয় বাড়ার পাশাপাশি সরকারের বাড়বে রাজস্ব আয়্। সদরের সবক‘টি গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলে ও দীঘ বছর ধরে এ গ্রামটি উন্নয়নের আলো থেকে অন্ধকারে রয়েছে। ২০০৩ সালের পর তৎকালীন ইউপি মেম্বার মাওঃ সোলতানুল ইসলাম সামান্য মাটি দিয়ে কিছুটা সংস্কারের চেষ্টা করলেও এরপরে বর্ষার মৌসুমে আবার ও মাঠি সরে যাওয়ায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায় রাস্তাটি। বর্ষা মৌসুমে ঐ রাস্তাদিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়–য়া শিক্ষার্থীদের বিপদজনক অবস্থায় যাতায়াত করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, বহু যুগ থেকে স্থানীয়দের চলাচলের একমাত্র রাস্তা ছিল এটি। যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকায় শুষ্ক মৌসুমে কোন রকম হাঁটা চলাচল করতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে অতি কষ্টে গ্রামবাসীর চলাফেরা করতে হয়।
তুলাতলী গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩টি জামে মসজি ও ফোরকানিয়া, নূরানী মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রাস্তা সংস্কার না হওয়ার কারণে মুসল্লী ও শিক্ষার্থীরা রয়েছেন বিপাকে।
স্থানীয় সমাজ ও সংবাদকর্মী মুহাম্মদ জুবাইর জানান, রাস্তাটির সংস্কার হলে প্রচুর রাজস্ব আয় ও জনসাধারনের কষ্ট অনেকটাই কমে আসবে। বর্তমানে রাস্তাটি বালুমাটি দ্বারা এবং অনেকাংশ ঝোপ জঙ্গলে পরিনত হওয়ায় দিনের বেলায় ঐ রাস্তা দিয়ে চলাচলে ভীতিকর অবস্থায় পড়তে হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে টিলা ও বৃষ্ঠির পানি ঐ রাস্তাদিয়ে চলাচলের কারনে হাঁটু, কোমর পরিমাণ পর্যন্ত পানি জমে যায়। ফলে জনসাধরনকে পড়তে দূর্ভোগে। বিশেষ করে মহিলাদের কষ্ট বেড়ে যায়।
স্থানীয় সমাজ সেবক মোস্তাক আহমদ জানান, বর্ষায় পানি চলাচল ও শুকনা মৌসুম ঝোপড়ি থাকায় অনেক কষ্ট হয়। রাস্তাটি সংস্কার না করায় এলাকার মানুষ খুব কষ্টে রয়েছেন। বর্ষার সময় বৃষ্টির পানি জমে চলাচলে একদম অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়কটি সংস্কার করা খুবই জরুরি।
স্থানীয় মেম্বার শাহ আলম জানান, সড়কটি উন্নয়নের জন্য বড় বাজেট প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে উন্নয়নের জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।

One comment

  1. জনপ্রতিনিধিরা আন্তরিক হলে সড়কটি নির্মান সহজ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*