,

টেকনাফে রোহিঙ্গা পারাপার বন্ধ হয়নি

আবুল কালাম আজাদ,টেকনাফ []রোহিঙ্গা ফেরত
সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের ৫৪ কিলোমিটার বাংলাদেশ-মিয়ানমার জিরো পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে রোহিঙ্গা পারাপার অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানায়, বিজিবি ব্যাটালিয়নের উর্ধতন কর্মকর্তারা যতই ঢাকঢোল পেঠাকনা কেন চোরে শুনেনা ধর্মের কাহিনী। বিজিবির টহল দলকে ম্যানেজ করে রোহিঙ্গা পারাপার করছে কতিপয় আদম পারাপারের ঘাট দালাল। শাহপরীর দ্বীপ হতে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী পযর্ন্ত ২১ টি ঘাট রয়েছে। এসমস্ত অবৈধ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা পারাপারের ঘাট গুলো নিয়ন্ত্রণ করে স্ব-স্ব ঘাট এলাকার কিছু প্রভাবশালী ও কোন কোন ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এরা আড়ালে অবডালে থেকে সাধারণ লোক দিয়ে ঘাট গুলো পরিচালনা করে থাকে। এসমস্ত ঘাট হতে শুধু বিজিবির টহল দল ছাড়াও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অনেক সদস্য চাদা নিয়ে থাকে বলে নাম প্রকাশে অনিশ্চুক ঘাট ওয়ালা জানায়। এছাড়া কিছু কিছু সংবাদ কর্মি,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক কতিপয় নেতা ইত্যাদিকে চাদা দিতে হয়। ফলে ঘাটওয়ালা মনের সুখে শান্তির বাতাস খেয়ে আদম পারাপার করে থাকে বলে স্থানীয় লোকজন জানায়। অনুসন্ধানে জানাযায়, টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রি পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে সেলিম, জেটির ঘাটে বাইলা, জালিয়া পাড়ায় আবুল কালাম কালা,নয়া পাড়ায় শামসু,শুক্কুর,মার্কিন ও তৈয়ুব, নাজির পাড়ায় জিয়া,হেচ্ছার খালে হাবিবুল্লাহ, পৌর এলাকার নাইট্যং পাড়া ও বরইতলীতে মোহাম্মদ ইসলাম, জাদিমুরা দক্ষিনে আব্দুল আমিন,উসমান,মধ্যে ভুলো,আব্দুল আমিন,উত্তর জাদিমুরায় মোঃ শফি,মোঃ আমিন ও আব্দু সালাম,নয়াপাড়ায় জালাল ও আলম, মোচনীতে জোবাইর,লেদায় আলম,চেীধুরী পাড়ায় লেছা হ্লা মার্মা,হ্নীলা সদরে আনসার আহাম্মদ, ওয়াব্রোংএ নুর আহাম্মদ খারাংখালীতে মইয়া মার্মা ও শামসু,নয়া বাজারে গফ্ফার,কানজর পাড়ায় মোঃ শফি,ওনছি প্রাংয়ে মোঃ কালু,হোয়াইক্যৎএ নবি হোসনসহ আরও অনেকেই এ কাজে জড়িত হয়ে পড়েছে। উল্লেখিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও টেকনাফ ও কক্সবাজার সড়কের চেকপোষ্ট সমূহে রোহিঙ্গাদের আটক করে পুশব্যাকের ব্যবস্থা নেওয়া গেলেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অনেকটাই রোধ করা সম্ভব হবে বলে স্থানীয় সচেতন মহল জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*